ভিনদেশি খাবার হলেও আমাদের দেশেও বেশ জনপ্রিয়। বলছি তুলুম্বার কথা। মিষ্টি স্বাদের এই খাবার বাঙালির তো পছন্দ হবেই। কারণ খাবারের শেষ ভাগে একটুখানি মিষ্টি কিছু না থাকলে যেন মন ভরে
বর্তমানে ছোট-বড় প্রায় প্রত্যেকেই জ্বরে ভুগছেন। জ্বরের শুরুতে সবাই প্যারাসিটামলের উপরই ভরসা রাখেন। প্রায় প্রতি ঘরেই এই ওষুধ জমা থাকে। চিকিৎসকরাও জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল খাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া সামান্য হাত
ছুটির দিনে ভাজাভুজি খেতে ইচ্ছে হয়। অনেকে ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে এ ধরনের খাবার থেকে দূরে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে মিষ্টি আলুর টিক্কি বানাতে পারেন। এটি একটি স্বাস্থ্যকর রেসিপি। মিষ্টি আলুতে
যদিও একজন রোজগার করে, তবু ভালোই চলছিল আবির আর বহ্নির সংসার (দুজনারই ছদ্মনাম)। পড়ালেখা শেষ করলেই বহ্নি ঢুকবে চাকরিতে। তখন আবিরের ওপর থেকে চাপ কিছুটা কমবে। এ রকমই ছিল পরিকল্পনা।
বিয়ে মানেই সিনেমার মতো ‘হ্যাপি এন্ডিং’ নয়। বাস্তব দাম্পত্য জীবনে একে অন্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মাঝেমধ্যে ঝগড়া, অভিমান আর মতবিরোধ হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে এসব ঝগড়াকে সঠিকভাবে সামাল দিতে
বিকেলের নাস্তায় পুরি হলে জমে যায় বেশ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই পুরি বাইরে থেকে কিনে আনা হয়। কিন্তু সেগুলো অনেক বেশি অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে। কারণ বাইরের দোকানগুলোতে সাধারণত একই তেল
স্বাস্থ্যকর উপায়ে মিষ্টি খেতে চাইলে খেজুর খেতে পারেন। কারণ এটি খেতে মিষ্টি স্বাদের ঠিকই, কিন্তু এতে ক্যালোরি থাকে কম। খেজুর নামের এই পুষ্টিকর ফল প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা অসংখ্য স্বাস্থ্য
চালতা দিয়ে তৈরি করা যায় বেশ কয়েক পদের খাবার। বিশেষ করে চালতার ডাল কিংবা চালতা মাখা সবার পছন্দের। তবে পিছিয়ে নেই চালতার আচারও। চালতার মুখরোচক আচার তৈরি করে সংরক্ষণ করা
কোষ্ঠকাঠিন্য একটি পরিচিত হজম সংক্রান্ত সমস্যা। এই সমস্যায় কম-বেশি অনেকেই ভুগে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে নিয়মিত এ ধরনের সমস্যা হলে তা উপেক্ষা করা যাবে না।
ভাদ্র মাসের গরমকে বলে ‘তাল-পাকা গরম’। যারা বাড়ির বাইরে কাজে বের হন, গরমে তারা কাহিল হয়ে যান। যারা বাড়িতে থাকেন, তাদেরও প্রচুর ঘাম হয়। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়