বর্তমানে দেশজুড়ে এলপি গ্যাস বন্ধের ঘোষণা যেন দেশবাসীকে গুরুতর চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। তাই এখন রান্নার একমাত্র বিকল্প ভরসা হলো ইলেকট্রনিক চুলা। যেহেতু আমরা কম বেশি সবাই গ্যাসের চুলায় রান্না করে
মুরগির মাংস দিয়ে সুস্বাদু সব খাবার তৈরি করা যায়। দ্রুত সেদ্ধ হয় বলে এ ধরনের খাবার রান্না করতে সময় কম লাগে। তাই ঝটপট সুস্বাদু কিছু তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে
শীত এলেই চারদিকে বেড়ে যায় গরম কাপড়, গরম খাবার, গরম পানির ব্যবহার। তবে এই ঠান্ডার মধ্যেও অনেকই স্বস্তি খোঁজে পান এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে। কেউ বলেন ঠান্ডা পানি স্বস্তি দেয়,
শীতের খাবারের তালিকায় হাঁসের মাংস অনেকেরই বেশ পছন্দের। এই মাংসের সঙ্গে আরেকটি উপকরণ খুব মানানসই, সেটি হলো নারিকেল। নারিকেলের দুধ দিয়ে রান্না করা হাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। তবে নারিকেল কুচি
শীত এলেই ঘরে ঘরে আমলকির আচার বানানোর ধুম পড়ে। কেউ বানান ঝাল, কেউ টক-মিষ্টি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমলকির আচার বানিয়ে খেলে কি আসলেই এর ভিটামিন সি পাওয়া যায়? নাকি রান্না
বাড়িতে থাকা যেকোনো বড় মাছ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু ফিশ স্ট্রিপস। আপনি নিশ্চয়ই এর আগে রেস্টেুরেন্টে গিয়ে এ ধরনের খাবার কিনে খেয়েছেন। তাতে একগাদা পয়সা তো খরচ
সন্ধ্যার আড্ডা মানেই বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, হেসে খেলে সময় পার করা। আর সেই সময়টা আরও মজাদার হয় যদি পাশে থাকে মুচমুচে গরম গরম পালং পাকোড়া। চা বা কফির সঙ্গে খেলে
বিয়ের আগে অনেকেই শেভ করেন। তবে শেভ করার পর বাজারের রাসায়নিকযুক্ত লোশন ব্যবহার করলে ত্বক ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় ত্বক লালচে, খসখসে বা জ্বালাপোড়া ভাব দেখা
শহুরে জীবনে পিঠা তৈরি করে খাওয়ার অবকাশ সবার থাকে না। তখন বাইরে থেকে কিনে খাওয়া ছাড়া উপায় কী। তবে ঘরে তৈরি খাবার স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু তো বটেই। কিন্তু ভেজা চাল
প্রতিদিন ডাল-ভাত খেতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তবে এর বিকল্প খুব বেশি নেই। ডাল-ভাত পেট ভরিয়ে দেয় এবং শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে। প্রতিদিন মাছ রান্না করতে গেলে সময়ও লাগে,