শীত এলেই শরীরে যেন এক ধরনের আলসেমি ভর করে। কাজে মন বসে না, সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে, শরীরে স্ফূর্তি কমে যায়। ধীরে ধীরে চেহারায় ফ্যাকাসে ভাব দেখা দেয়, খাওয়াদাওয়ার আগ্রহও কমতে
অনেক সময় আমরা মুখের ত্বকের যত্নে সময় দেই, কিন্তু হাতের ত্বককে প্রায়ই উপেক্ষা করি। অথচ হাতের ত্বকও ঠিক তেমনই যত্নের প্রয়োজন। ধুলো-ময়লা, ধোয়ার কাজ, ঠাণ্ডা-গরমের প্রভাব সবই হাতের ত্বক শুষ্ক
আমাদের সমাজে এখনো একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে ত্বকের যত্ন, ফেসিয়াল বা স্কিনকেয়ার নাকি শুধুই নারীদের বিষয়। ফলে বেশিরভাগ পুরুষই নিজেদের ত্বকের দিকে বিশেষ নজর দেন না। প্রতিদিন রোদে-ধুলায়, শেভের সময়
নখে হলুদ দাগ পড়া সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে রান্না বা গৃহস্থালি কাজের কারণে। কাঁচা হলুদের কারণে বা নিয়মিত কিছু খাবার নখে রঙের ছোপ ফেলতে পারে। দু-তিন বার সাবান দিয়ে হাত
কনকনে শীতের দিনে শরীর উষ্ণ রাখা অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। শুধু মোটা কাপড় পরলেই যে শীতের প্রভাব এড়ানো যায়, তা নয়। এই সময় শরীরের ভেতর থেকে তাপ তৈরি
শীত এলে বাজার ভরে যায় টাটকা ফুলকপি ও বাঁধাকপিতে। এগুলো ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর সবজি হিসেবেই ধরা হয়। তবে যে কোনো খাবারের মতোই এগুলোও সবার জন্য সমান
প্রতিদিন একটি আপেল ডাক্তারকে দূরে রাখে’ এই কথাটি আমরা বহুবার শুনেছি। এটি আমাদের ধারণা দেয় যে ফলটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর এবং রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। কিন্তু আমরা যদি প্রতিদিন আপেল
শীতে পাটিসাপটার কথা শুনলেই মনের চোখে ভেসে ওঠে নারিকেল, খেজুর গুড় এবং ক্ষীরের মিষ্টি পুরে ভরা নরম, পাতলা পিঠার ছবি। কিন্তু এই পরিচিত স্বাদের বাইরে রয়েছে পাটিসাপটার আরেকটি আকর্ষণীয় রূপ-ঝাল
রঙ ছাড়া জীবন কেমন হয়? একঘেয়ে, নিস্তেজ এবং অনুপ্রেরণাহীন। খাবারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। রঙহীন প্লেট কেবল ম্লানই দেখায় না, খাওয়ার আগ্রহও কমিয়ে দেয়। আমরা প্রথম কামড় খাওয়ার আগেই চোখ
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের কারণে বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দিনের যেকোনো সময়েই হৃদ্পিণ্ডজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে করোনাকালের পর থেকে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (এমআই)