1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

শীতে ঠান্ডা পানি স্বাস্থ্যকর নাকি শুধু স্বস্তির অনুভূতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত

শীত এলেই চারদিকে বেড়ে যায় গরম কাপড়, গরম খাবার, গরম পানির ব্যবহার। তবে এই ঠান্ডার মধ্যেও অনেকই স্বস্তি খোঁজে পান এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে। কেউ বলেন ঠান্ডা পানি স্বস্তি দেয়, আবার কেউ পান করেন তৃপ্তি পেতে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, শীতে ঠান্ডা পানি খাওয়া কি সত্যিই শরীরের জন্য ভালো, নাকি এটি শুধুই এক ধরনের মানসিক স্বস্তির অনুভূতি? এই অভ্যাসের পেছনে কি কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে, নাকি দীর্ঘদিনের গড়ে ওঠা স্বাদের অভ্যাসই আমাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে? শীতে ঠান্ডা পানি খাওয়ার এই দ্বন্দ্বের স্বাস্থ্যগত দিকগুলো নিয়েই খোঁজ নেওয়া যাক।

তৃষ্ণা নিবারণ মানেই শুধু পানি পান নয়। আমাদের মুখ, গলা ও মস্তিষ্কের মধ্যে চলা সূক্ষ্ম স্নায়বিক যোগাযোগও এখানে বড় ভূমিকা রাখে। তাই শীতের দিনে ঠান্ডা পানি অনেকের কাছে বেশি স্বস্তিদায়ক লাগে। এর পেছনে মূলত তিনটি বৈজ্ঞানিক কারণ কাজ করে। যথা-

মুখের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সংকেত: ঠান্ডা পানি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখ ও গলার ভেতরের অংশ দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। এই শীতল অনুভূতি মস্তিষ্কে এমন বার্তা পাঠায় যে তৃষ্ণা মিটেছে। ফলে শরীর তৎক্ষণাৎ তৃপ্তির অনুভূতি পায়। কিন্তু কুসুম গরম বা গরম পানিতে সেই শীতলতা তৈরি হয় না, তাই পানি খাওয়ার পরও তৃষ্ণা থেকে যাওয়ার অনুভব হতে পারে।

শীতকালের শুষ্ক পরিবেশ: শীতে জানালা বন্ধ রাখা, দীর্ঘক্ষণ বদ্ধ ঘরে থাকা বা হিটার ব্যবহারের কারণে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। এতে নাক ও মুখের ভেতরের অংশ শুকিয়ে আসে। ঠান্ডা পানি এই শুষ্কতা দ্রুত কমাতে পারে এবং মুখের ভেতরের মিউকাস স্তরকে বেশি সক্রিয়ভাবে আর্দ্র করে, যা গরম পানির ক্ষেত্রে ততটা হয় না।

শরীরের তাপমাত্রা সামলানোর প্রক্রিয়া: শীতকালে শরীর নিজস্ব তাপমাত্রা ঠিক রাখতে ভেতর থেকে বেশি শক্তি ব্যয় করে। অনেক সময় এতে শরীরের ভেতর গরম লাগার অনুভূতি তৈরি হয়। তখন ঠান্ডা পানি পান করলে তা দ্রুত স্বস্তি দেয় এবং একধরনের রিফ্রেশিং অনুভব তৈরি করে।

ঠান্ডা পানি আরাম দিলেও শীতকালে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

গরম পানির উপকারিতা: হালকা গরম পানি হজমে সহায়তা করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ঠান্ডা পানির ঝুঁকি: অতিরিক্ত ঠান্ডা বা ফ্রিজের পানি নিয়মিত পান করলে গলার সমস্যা, টনসিল বা সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়তে পারে। তবে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি সাধারণত নিরাপদ।

তৃপ্তি পেতে সহজ উপায়: গরম পানি খেয়ে যদি তৃষ্ণা না মেটে, তাহলে কুসুম গরমের বদলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি বেছে নিন। পানি খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ মুখে ধরে রাখলে মুখ ও গলার স্নায়ুগুলো দ্রুত সক্রিয় হয় তাতেই তৃষ্ণার অনুভূতি দ্রুত কমে যায়। শীতে ঠান্ডা পানি অনেকের কাছে বেশি তৃপ্তিদায়ক লাগলেও স্বাস্থ্য বিবেচনায় ভারসাম্যটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর