অতঃপর নীরব প্রস্থান, ফেলে যাওয়া গভীর চাহনি, এক ভয়াবহ যুদ্ধে পরাজিত সৈনিকের গল্প বলে। ক্রুর হাসিতে হেসে যাচ্ছে ডানাভাঙা একদল পাখি। দিনগুলোর কেমন দীর্ঘ আর্তনাদ। স্বপ্নহীন নাবিক এখন অন্ধকার অচেনা
একদিন আমার মৃত্যুর খবর পাতায় পাতায়, খবরে খবরে ছেয়ে যাবে। কেউ হাসবে, কেউ কাঁদবে, কেউবা বলবে ধুর ছাইপাঁশ মরে গেল অপছন্দনীয় গালির বন্যায় ভাসিয়ে দেবে। আহা বেঁচে থাকতে কতই না
বাংলাদেশি মুভির নাম ‘কফিলের প্রেম’। দর্শকদের বেশ নজর কেড়েছে। ভালো ব্যবসাও করেছে। মুভির প্রযোজক ও পরিচালক তাদের টিম নিয়ে সেলিব্রেট করবে। মুভিতে সৌদি আরবে নায়ক শাহেনশাহের সংগ্রাম থেকে কফিল হয়ে
লিখব না-পড়ব না কতশত বায়না, লেখার কথা বললে কলম পায় না। বিশ মিনিট না যেতেই চারবার খায় পানি, মাঝে মাঝে কথা বলে যত অদ্ভুত-ফানি। আজগুবি গল্পকালে খুবই মনোযোগ, ফাঁকি দেওয়ার
বর্ষার গান ———————- ঝুমঝুম নূপুরেতে নামলো শ্রাবণ, বরষার গীতি গেয়ে মাতে এ ভুবন। মেঘেদের জলছবি আকাশের গায়, কদম ও কেয়া হাসে সবুজ পাতায়। নদী-নালা খাল-বিল জলে থৈ থৈ, ব্যাঙ ডাকে
আষাঢ় মাসের শুরু। কয়েক দিন ধরে গ্রামের মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। মাঠের মাটি ফেটে চৌচির, খাল-বিলের পানি কমে এসেছে। কৃষকদের চোখেমুখে একটাই অপেক্ষা—কবে নামবে বৃষ্টি। সেই গ্রামেরই এক কিশোরের
মেঠোপথে হেঁটে যায় —————————————- চৈত্র মাস, কালবৈশাখী চোখ রাঙায়, কুমারি বৃষ্টির ছিটা সুরসুরি কাটে ষোড়ষীর শরীরে। বেগানা যুবকের নখের আখড়ে টোকা দিতেই শিউরে ওঠে কাঁচাতন্বী, ও দেহে আগুন আছে। করবী
শর্তহীন সম্মতি ———————————— অন্তরেতে প্রেমের উদাস, শর্তহীন সম্মতির কাল। তুমি হাত বাড়িয়েছিলে শুধু, আমি সঁপেছিলাম মন। শ্বাসের সিলমোহর ছুঁয়েছিল আমাদের হৃদয় ও প্রাণ। চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম তখন, আবদ্ধ আজ দুই ভুবন।
রুমা মোদক একাধারে কবি, কথাশিল্পী ও নাট্যকার। লেখালেখি শুরু হয়েছিল কবিতা দিয়ে। পরিচিতি পেয়েছেন মঞ্চনাটকে। ২০০০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বিশঙ্ক অভিলাষ’। ধীরে ধীরে মনোনিবেশ করেন মঞ্চনাটকে। ‘কমলাবতীর পালা’,
আজীবন দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে যাওয়া কবির নাম কাজী নজরুল ইসলাম। ‘দুখু মিয়া’ ডাকনামেই যাঁর শৈশব শুরু হয়েছিল। তাই তো আমৃত্যু দুঃখের সঙ্গেই করতে হয়েছে ঘর-গেরস্থালি। কেননা কবি নজরুলের বাবা