শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতার বিকাশে শিশু-কিশোর পত্রিকা ‘দোলন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘দোলন আর্ট এক্সিবিশন-২০২৬’ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রদর্শনীটি ৯ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল পৌনে ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
অহংকার: বৃহৎ চাঁদও আড়াল হয় কিঞ্চিত মেঘের ভিড়ে— ধৈর্য: হাজার পাতা বুকে নিয়ে ঝড়-রোদ উপেক্ষা করে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকে একটি গাছ— আহ্বান: পৃথিবীর মাঝে শ্রেষ্ঠ ধ্বনি মসজিদ থেকে ভেসে আসে
রাজপথের রাজনীতি হরতাল নাইরে, এমপিরা সংসদে আমরাও যাইরে। ওনারা তো একসাথে হাততালি পিটিয়ে, বক্তৃতা যায় করে মেজাজটা খিটিয়ে। দেশ গড়ার কথার চেয়ে অন্য কথা বেশি, ঝগড়াটা অহেতুক শুধু রেশারেশি। জোড়া
মেঘের ভেলায় ভেসে যায় আমার স্বপ্নগুলো, নীল আকাশে লিখি নতুন দিনের গল্প। যতই ঝড় আসুক জীবনে, আকাশ যেমন থাকে বিস্তৃত, আমিও তেমনই থামি না, এগিয়ে যাই। মেঘের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে
ভুলগুলো ফুল হয়ে যায় ——————————— আমাদের কৈশোর; ছেলেবেলা-মেয়েবেলা— কত আনন্দময় সময় কেটে গেছে নির্জলা। মনের কোণে বিচিত্র স্বপ্নের আখ্যান বুনে অদৃশ্য শেফালিরা পর হয়ে যায় চিরতরে। কত বিনিদ্র রাতের বেখেয়ালি
রাত এগারোটার পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে নাহার টেবিলে পড়তে বসলো। টেবিলের ওপর কার্ল মার্কসের তিনটি বই, ভাঁজ করা নোট খাতা আর একটা ঠান্ডা চায়ের কাপ; যেটায় চুমুক দিতে সে ভুলে
শহরের একপ্রান্তে বাড়িটা দাঁড়িয়ে ছিল; ঠিক যেমন তার মালিক—ভেতরে শক্ত, বাইরে জীর্ণশীর্ণ। চুন খসা, দেওয়ালে শ্যাওলা, দরজার পাল্লায় ঘুণে ধরা দাগ—হাশেম মজুমদার সেগুলো আমলে নিতেন না। ভাড়াটিয়া আবার মানুষ নাকি?
তুমি হও কৃষ্ণচূড়া রং, বসন্ত ভরা দিন। আমি হবো পাপড়ি নীরব, রাঙা মধুর ঋতিন। তুমি হও মৌন জোছনা, রাত ভেসে যায় জ্যোৎস্নায়। আমি হবো কোমল কিরণ, থাকবো তোমার ছায়ায়। তুমি
আমার নিজের কোনো ঠিকানা নেই ভাসমান কচুরিপানার মতন ভেসে চলেছি বছরের পর বছর, একবার এ ঘাটে ভিড়ি তো পরক্ষণেই অন্য কোনো ঘাটে। ভেসে চলেছি অবিরাম এক অনিশ্চিত জীবন… নেই কোনো
ওয়ান মিলিয়ন ফলোয়ারস —————————————- ভোলানাথের ওয়ান মিলিয়ন ফলোয়ারস ভিডিও দিলেই লাখ লাখ ভিউ যেখানে যায় সবাই ঘিরে ধরে ভক্তকুলের বিশাল লম্বা কিউ। ভোলানাথ গায়ক, নাকি নায়ক? ভোলানাথই জবাব দিতে তো