ভোরের দিকে থেমে গিয়েছিল বৃষ্টি। একটু আগেভাগেই সে রওয়ানা দেয় নিউমার্কেটে। শেষ রক্ষা হয়নি, নিউমার্কেটে ঢোকার আগেই শুরু হলো টিপটিপ বৃষ্টি। সে ভেজা শরীরে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। সহকর্মী তখনো
দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরীর স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ‘আব্দুর রউফ চৌধুরী প্রজন্ম প্রান্তিক সম্মাননা ২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে। দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী স্মৃতি পর্ষদ
এক নীলাভ্র মেঘে ছাওয়া আমার আকাশ রন্ধ্রে রন্ধ্রে লালিত আমার নীল বেদনার দ্রোহ আমার জানালায় কখনো আলো ছড়ায়নি ভোরের সূর্য তপ্ত দুপুরে কেউ বলেনি, ‘পথিক, একটু বসো’; কেউ তাকিয়ে রইলো
নুসরাত সুলতানা দ্বিতীয় দশকের কবি এবং কথাসাহিত্যিক। তার কবিতায় যেমন আছে উপমা, উৎপ্রেক্ষা আর গভীর বোধের সম্মিলন। তেমনই গল্পেও আছে দারুণ ন্যারেটিভস সমৃদ্ধ দৃশ্যকল্প, চিত্রকল্প এবং দারুণ সব অভিঘাত। চরিত্র
মাত্র অফিসে রিজাইন লেটার জমা দিয়ে বাসায় ফিরছে রাকিব। আজ ভীষণ মন খারাপ। আবারও সেই বেকারত্বের জীবনযাপন শুরু। কীভাবে অন্য চাকরি জোগাড় করবে, তা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায়। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি
গায়ে আলখাল্লা, পায়ে ঘুঙুর আর মাথায় পাগড়ি—দেখতে একেবারেই ব্যতিক্রমী এক শিল্পী। আসরের সময় চারপাশে ঘুরে ঘুরে তিনি গেয়ে চলেছেন গাজীর গান। তার কণ্ঠে ভেসে আসে গ্রামবাংলার একসময়ের জনপ্রিয়, অথচ আজ
ভোট ভোট ভোট, স্লোগানের তালে তালে কাঁপে গলা-ঠোঁট। কেউ দেখি গলা ধরে বলে ভোট দেন কানে কানে কেউ বলে—লাগে কিছু নেন, কেউ দেখি চুপ করে ফন্দিটা আঁটে কেউ কেউ গলা
কবিতার নিঃশ্বাসে দূষিত ধোয়া শ্বাস-প্রশ্বাসে উঠানামা করে দুর্বল হৃদপিণ্ড ক্ষণে ক্ষণে নিস্তব্ধ হয় কণ্ঠস্বর চোখে নেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ কন্ঠে নেই আকাশ বিদারী হাক। তার আর্তনাদে প্রকম্পিত হয় না মাটি করেনা
ঘুম থেকে উঠে দেখি চশমা দিয়ে কিছু দেখা যাচ্ছে না। কী বিপদ! চশমা ছাড়া আমি সেমি অচল। চোখটা একটু ঘঁষে আবার চোখে লাগালাম। ওপরে বড় করে লেখা, তিন দফা দাবিতে
ভোরবেলা কুয়াশা মাখা, হিমেল হাওয়ার গান, লেপের তলায় আরাম খুঁজে জুড়ায় আমার প্রাণ। আলসেমিতে শরীর ভারী, চোখটা বুজে আসে, রোদের ঝিলিক জানালা দিয়ে আমায় দেখে হাসে। রান্নাঘরে ধোঁয়া ওঠে, নলেন