ফলমূলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা প্রায় সব ঋতুতেই খাওয়া যেতে পারে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে। পিরিয়ডের ব্যথা কমানো সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য
বর্তমানে ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক চাপের কারণে আমাদের হজমের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতা বেড়ে চলেছে। এসব সমস্যার সমাধানে মানুষ ক্রমেই প্রাকৃতিক প্রতিকারকেই গুরুত্ব দিচ্ছে। এর
ব্যস্ত জীবন, কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের চাপ, মানসিক ক্লান্তি, এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। কথায় কথায় রেগে যাওয়া বা সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আপনি
বাজারে যাওয়ার সময় না থাকার কারণে অনেকেই সপ্তাহের বাজার একদিনেই করে রাখেন। বাধ্য হয়ে মাছ-মাংস ফ্রিজে রাখতে হয়, আর তখন সেটি বরফ হয়ে যায়। কালে তাড়াহুড়ার সময় সেই বরফ গলতে
ডায়াবেটিস রোগের নাম জানেন না, এমন মানুষ নেই বললেই চলে। তবে ডায়াবেটিস শুধু রক্তের শর্করা বাড়ায় — এমন ভাবলে ভুল হবে। শর্করা দীর্ঘসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলে শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ
চিংড়ি পছন্দ করেন না-এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কারও প্রিয় কড়কড়ে চিংড়ি ভাজা, কারও আবার শুকনা চিংড়ির বালাচাও পছন্দ করে। চিংড়িতে রয়েছে আলাদা স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য, তাই রান্নাতেও আসে
সম্পর্ক ভাঙলে সাধারণত যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যায়। একসময় যাকে ছাড়া এক মুহূর্তও ভাবা যেত না, ব্রেকআপের পর সেই মানুষটির সঙ্গে সব যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে
নীরবে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে লিভার সিরোসিস লিভার এমন এক অঙ্গ, যা নীরবে কাজ করে আমাদের শরীরকে টক্সিনমুক্ত রাখে। এই অঙ্গ খাবার হজমে সাহায্য করে, শক্তি সঞ্চয় করে, এমনকি
পালংশাক – দাম কম, রান্না সহজ, আর স্বাদেও অনন্য। কিন্তু এই সাধারণ শাকটিই পুষ্টিগুণের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। পালংশাক হলো এমন একটি খাবার যা শরীরের প্রায় সব অঙ্গকে কিছু না
মুরগির টক ঝোল মানেই লেবু, টক দই বা টমেটোর স্বাদ-এটাই আমাদের প্রচলিত ধারণা। কিন্তু জানেন কি, মুরগি রান্নায় জলপাই ব্যবহার করলেও পাওয়া যায় একেবারে ভিন্নরকম টক-মশলাদার স্বাদ! মুরগির মাংসে জলপাই