ইবাদতের বসন্তকাল হচ্ছে রমজান মাস। রাসুল (সা.) তার মদিনার জীবনে প্রায় প্রতি বছর রমজানের শেষ ১০ দিন নিয়মিত ইতেকাফ করেছেন। আর এই দশকেই রয়েছে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম ও মহিমান্বিত
রোজা রেখে ইনজেকশন নেওয়া যাবে। এ কারণে রোজার ক্ষতি হবে না। একইভাবে রোজা রেখে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিলেও রোজা নষ্ট হয় না। কেউ যদি ইনজেকশন বা ইনসুলিন নেওয়ার পর রোজা
রোজা ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। এটি শুধু শরীরের অনাহার বা তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয়; বরং এটি আত্মসংযম, নফস দমন এবং আত্মার পরিশুদ্ধির এক মহাসাধনা। রোজা রাখা খুবই কঠিন—এ কথা
আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন রমজান মাস শুরু হয়, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় আর শয়তানদের শেকলে বেঁধে রাখা হয়। (সহিহ বুখারি: ৩২৭৭)
অজুর সময় যে অঙ্গগুলো ধোয়া ওয়াজিব, সেই অঙ্গগুলোর কোনো অংশ শুকনো থেকে গেলে অজু হয় না। তাই অজু করার সময় নখ, আঙুল বা অজুর অঙ্গগুলোর যে কোনো জায়গায় পানির জন্য
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য যিনি আমাদেরকে সঠিক দ্বীনের পথ দেখিয়েছেন এবং সরল, সুস্পষ্ট পথে পরিচালিত করেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; তিনি একক, তাঁর কোনো
অজুর পরিচয়: ইসলামে অজু কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু অবস্থায় থাকা বাধ্যতামূলক। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নামাজের জন্য অজু করার
ইসলামে শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত বা ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ রাত। এ রাত সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে তার সৃষ্টিকুলের দিকে দয়ার দৃষ্টি
শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতকে বলা হয় ‘শবে বরাত’ যা ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। ফারসিতে ‘শব’ অর্থ রাত এবং ‘বরাত’ অর্থ মুক্তি। `শবে বরাত’ অর্থ ‘মুক্তির রাত’। হাদিসে এ রাতটিকে
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য—তিনি সময় ও যুগের স্রষ্টা, দিন ও বছরের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণকারী এবং মাসগুলোর মধ্যে কিছু মাসকে বিশেষ মর্যাদা দানকারী। আমি তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।