শীতকালে অনেকেই কানটুপি পরে যা দিয়ে সাধারণত কপাল ঢেকে থাকে। এ অবস্থায় কেউ যদি নামাজে দাঁড়ায় এবং কানটুপির ওপর সিজদা করে, তার সিজদা আদায় হবে বটে, তবে এটা অনুত্তম কাজ।
নবীজির (সা.) যুগে মদিনার বাইরের কিছু সাহাবি মদিনার মসজিদে থেকে নবীজির (সা.) কাছে দ্বীন শিখতেন। মদিনায় তাদের তাদের খাওয়া-দাওয়া বা উপার্জনের ব্যবস্থা থাকত না। নবীজির (সা.) কাছে কোনো হাদিয়া এলে
যে কোনো সংকটে, কঠিন পরিস্থিতিতে সহজ সমাধানের জন্য নবীজি (সা.) থেকে বর্ণিত নিম্নোক্ত তিনটি দোয়া পড়ুন: ১. নবীজি (সা.) দোয়া করতেন, يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، أَصْلِحْ لِي شَأْنِي
মানুষ তিন ধরনের স্বপ্ন দেখে। কিছু স্বপ্ন আসে মানুষের কল্পনা থেকে। মানুষ যা ভাবে বা কল্পনা করে সেটাই ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন হয়ে আসে। এসব স্বপ্ন মানুষ দেখে আবার ভুলে যায়।
বিশ্বনবী মুহাম্মাদের (সা.) জন্ম ও নবুয়তলাভ ছিল মানবজাতির প্রতি, বিশ্বজগতের প্রতি আল্লাহর বড় নেয়ামত ও করুণা। কোরআনে আল্লাহ বলেন, আমি তোমাকে পাঠিয়েছি বিশ্বজগতের প্রতি করুণা হিসেবে। (সুরা আম্বিয়া: ১০৭) রাসুল
সালেহ (আ.) ছিলেন আল্লাহর একজন নবী যিনি আরব গোত্র সামুদের কাছে প্রেরিত হয়েছিলেন। তিনি তাদেরকে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদে বিশ্বাস এবং তাঁর ইবাদতের দাওয়াত দিয়েছিলেন। সামুদ জাতি বসবাস করত হিজাজ ও
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাবের (রা.) শাসনকালে মদিনায় ভূমিকম্প হয়েছিল। হজরত ওমরের (রা.) ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরের (রা.) স্ত্রী সাফিয়্যা বিনতে আবি ওবায়েদ সাকাফী থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, বদর যুদ্ধের দিন মহানবী মুশরিক বাহিনীর দিকে তাকিয়ে দেখলেন তারা সংখ্যায় মুসলমানদের চেয়ে অনেক বেশি। তাদের সৈন্য ছিল এক হাজার আর মহানবীর (সা.) সঙ্গীরা ছিলেন
অনেকে মনে করেন ইসলাম ধন-সম্পদ উপার্জনকে নিরুৎসাহিত করে আর কোনো মুসলমানের ধনী হওয়া যেন খুবই খারাপ কাজ। কিন্তু এ ধারণা একদমই ভুল। ইসলাম মৌলিকভাবে ধন-সম্পদ উপার্জন বা ধনী হওয়াকে খারাপভাবে
ইমানি মৃত্যু লাভ করার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এই দোয়া পড়ুন: اَللّٰهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيكَ وَأَلْجَأتُ ظَهرِي إِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيكَ لاَ مَلْجَأَ وَلاَ