1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

আবু বকরের (রা.) মেহমানদারি

ইসলাম ও জীবন |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮ বার পঠিত

নবীজির (সা.) যুগে মদিনার বাইরের কিছু সাহাবি মদিনার মসজিদে থেকে নবীজির (সা.) কাছে দ্বীন শিখতেন। মদিনায় তাদের তাদের খাওয়া-দাওয়া বা উপার্জনের ব্যবস্থা থাকত না। নবীজির (সা.) কাছে কোনো হাদিয়া এলে নবীজি (সা.) অনেক সময় পুরোটাই তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। অনেক সময় তাদেরকে সাথে নিয়ে খেতেন। অনেক সময় একজন বা কয়েকজন সাহাবি মিলে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন। এভাবেই তাদের দিন চলতো। তাদেরকে বলা হতো আসহাবুস-সুফফা বা সুফফাবাসী।

একদিন নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যার কাছে দুজনের আহার আছে সে যেন আসহাবুস-সুফফা থেকে একজনকে সঙ্গে করে নিয়ে যায়। আর যার কাছে চারজনের আহারের সংস্থান আছে, সে যেন আসহাবুস-সুফফা থেকে একজন বা দুজনকে সঙ্গে নিয়ে যায়, তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করে।

নবীজির (সা.) নির্দেশনা অনুযায়ী আবু বকর (রা.) তিনজনকে তার বাসায় দাওয়াত দেন। নবীজির (সা.) ঘরে দশজনকে দাওয়াত দেওয়া হয়।

আবু বকরের (রা.) ঘরে তার স্ত্রী ও ছেলে ছিলেন। আবু বকর (রা.) ওই দিন নবীজির (সা.) ঘরেই রাতের আহার করেন এবং ইশার নামাজ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। ইশার নামাজের পর তিনি আবার নবীজির (সা.) ঘরে ফিরে যান এবং নবীজি (সা.) রাতের আহার শেষ করা পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন।

বেশ রাত করে তিনি যখন বাড়ি ফেরেন, তার স্ত্রী তাকে বললেন, আপনি মেহমানদের রেখে কোথায় ব্যস্ত ছিলেন? আবু বকর (রা.) বললেন, এখনও তাদের খাবার দাওনি? তিনি বললেন, আপনাকে রেখে তারা খেতে রাজি হননি। তাদের সামনে খাবার দিয়েছিলাম, তারা ফিরিয়ে দিয়েছেন।

আবু বকর (রা.) এ কথা শুনে নিজের ছেলে আব্দুর রহমানের ওপর রাগ করলেন, তাকে ভর্ৎসনা করলেন যে, কেন তিনি তাদের বুঝিয়ে খাওয়ালেন না।

তারপর মেহমানদের বললেন, আপনারা খেয়ে নিন, আল্লাহর কসম! আমি এ খাবার খাব না।

বাধ্য হয়ে মেহমানরা ও বাড়ির অন্যরা আবু বকরকে (রা.) ছাড়াই খেতে বসলেন। তারা খাওয়া শুরু করলে দেখা গেলো তারা লোকমার পর লোকমা উঠিয়ে খেয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু খাবার কমছে না। প্রত্যেকটা লোকমা ওঠানোর সাথে সাথে খাবার আরও বেড়ে যাচ্ছে। সবাই পেট ভরে খাওয়ার পরও আগের চেয়ে বেশি খাবার রয়ে গেলো।

আবু বকর (রা.) এটা দেখে আশ্চর্য হয়ে স্ত্রীকে বললেন, তুমি কি খেয়াল করছ খাবার কমছে না? আবু বকরের (রা.) স্ত্রীও বললেন, খাবার তো এখন আগের চেয়ে তিনগুণ বেশি আছে!

তখন আবু বকরও (রা.) কিছু খাবার খেলেন এবং বললেন, আমার ওই শপথ শয়তানের পক্ষ থেকেই হয়েছিল। অতঃপর তিনি আরও কয়েক লোকমা খাবার মুখে দিলেন এবং অবশিষ্ট খাবার নবীজির (সা.) কাছে পাঠিয়ে দেন।

পরদিন সকালে মদিনার বাইরের একটি গোত্রের বড় প্রতিনিধি দল নবীজির (সা.) কাছে আসে। তারা সবাই ওই খাবার খান।

সূত্র: সহিহ বুখারি: ৬০২

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর