হজরত আনাস (রা.) থেকে দুর্বল সূত্রে বর্ণিত একটি হাদিসে প্রতিদিন ২০০ বার সুরা ইখলাস পড়ার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। হাদিসটি হলো: আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
স্বামী মারা গেলে স্ত্রী তাকে গোসল করাতে পারেন। যেহেতু স্বামী মারা যাওয়ার পরও স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় থাকে ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত এবং স্বামীর মৃত্যুর পরও স্ত্রী তাকে
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর রাসুলকে হেদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন এই দ্বীনকে সমস্ত দ্বীনের ওপর বিজয়ী করার জন্য আর সৃষ্টির প্রতি রহমতস্বরূপ তাঁকে প্রেরণ করেছেন উত্তম চরিত্রের
হঠাৎ কোনো বিপদে পড়লে পড়ুন এ দোয়াটি: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، ولا حَوْلَ ولا قُوَّةَ إلا باللهِ العَلِيِّ العظيمِ উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ওয়ালা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল
হিল্লা বিয়ের নামে ‘পাতানো বিয়ে’কে কবিরা গুনাহ ও শরঈ বিধানের অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করে এ ধরনের বিয়ে থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সুপরিচিত আলেম ও ওয়ায়েজ ড. মিজানুর রহমান
সাদ ইবনে আবি ওয়াককাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন আমরা রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে ছিলাম। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমাদের কেউ কি একদিনে এক হাজার নেকি অর্জন
মসজিদ আল্লাহর ঘর। মুমিনের সিজদার জায়গা। ইসলামী সভ্যতা ও জীবনধারার প্রাণকেন্দ্র। মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুমিনের আবেগ, ভালোবাসা ও গভীর অনুরাগ। মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এবং মসজিদের সঙ্গে সবসময় যার
মুসলমানদের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এটি কেবল আনন্দ-উৎসবের দিন নয়; বরং আত্মত্যাগ, তাকওয়া, আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক মহান শিক্ষা অর্জনের দিন। ঈদুল
কোনো ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ হওয়ার পর সক্ষমতা থাকার পরও যদি সেই ব্যক্তি হজ আদায়ে বিলম্ব করে এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তার জন্য বদলি হজ করানোর নিয়ম রয়েছে।
হিজরি ষষ্ঠ সালের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো হুদায়বিয়ার সন্ধি। ইসলামের ইতিহাসে এই ঘটনাটি কেবল একটি রাজনৈতিক চুক্তি নয়, বরং এটি ছিল সুদূরপ্রসারী কৌশল, ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও আল্লাহর