1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

২০০ বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত

ইসলাম ও জীবন |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৫ বার পঠিত

হজরত আনাস (রা.) থেকে দুর্বল সূত্রে বর্ণিত একটি হাদিসে প্রতিদিন ২০০ বার সুরা ইখলাস পড়ার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। হাদিসটি হলো:

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন ২০০ বার সুরা ’কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ (অর্থাৎ সুরা ইখলাস) পড়বে, তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মুছে দেয়া হবে যদি তার ওপর কোনো ঋণ না থাকে। (সুনানে তিরমিজি)

অর্থাৎ যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন সুরা ইখলাস প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ২০০ বার পাঠ করবে তার আমলনামা থেকে পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মুছে দেয়া হবে, তবে তার ওপর যদি কোনো ঋণের বোঝা বা গুনাহ থাকে, তবে সেটা স্বতন্ত্র কথা, অর্থাৎ- ঋণের গুনাহ মাফ হবে না।

শায়খ আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী (রহ.) এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘যদি তার ওপর কোনো ঋণ না থাকে’ কথাটির দু’টি অর্থ হতে পারে:

১. ঋণের গুনাহ মুছে দেওয়া হয় না। এখানে ঋণকে গুনাহের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এর গুরুত্ব বোঝানোর জন্য।

২. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির গুনাহই ক্ষমা করা হয় না। সুরা ইখলাস পাঠ করলে ঋণমুক্ত ব্যক্তিদের গুনাহ মাফ হয়, ঋণগ্রস্তের গুনাহ মাফ হয় না।

সুরা ইখলাস কোরআনের এক তৃতীয়াংশ:
সুরা ইখলাস অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সুরা। বিশুদ্ধ বা শক্তিশালী সূত্রে বর্ণিত বহু হাদিসেও সুরা ইখলাসের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। যেমন সহিহ বুখারি ও মুসলিমে সংকলিত হাদিসে সুরা ইখলাসকে কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ বলা হয়েছে। বর্ণিত রয়েছে, একবার রাসুল (সা.) বললেন, তোমরা একত্র হও, আমি তোমাদের কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ শোনাব। এরপর রাসুল (সা.) সুরা ইখলাস পাঠ করলেন। (সহিহ মুসলিম)

আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, নবীজি (সা.) একদিন বললেন, তোমাদের প্রত্যেকে কি প্রতি রাতে কোরআনের এক তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে পারে না? বিষয়টি সাহাবিদের কাছে কঠিন মনে হলো। তখন নবীজি (সা.) বললেন, আমলটি সহজ, কারণ সুরা ইখলাসই কোরআনের এক তৃতীয়াংশ। (সহিহ বুখারি)

আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ শেষ পর্যন্ত ১০ বার পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। এ কথা শুনে ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বললেন, তাহলে আমরা তো অনেক প্রাসাদের মালিক হয়ে যাবো! নবীজি (সা.) বললেন, আল্লাহ তাআলাও বেশি দানশীল ও বেশি পবিত্র। (মুসনাদে আহমদ)

সুরা ইখলাসের পরিচয়:
সুরা ইখলাস কোরআনের ১১২তম সুরা, আয়াত সংখ্যা ৪টি, রুকু ১টি। সুরাটি মক্কায় নাকি মদিনায় অবতীর্ণ এ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। মক্কার মুশরিক বা মদিনার ইহুদিরা নবিজিকে (সা.) প্রশ্ন করেছিল, আল্লাহর বংশ-পরিচয় কী? তাদের প্রশ্নের জবাবে এ সুরা অবতীর্ণ হয়।

সুরা ইখলাসের বাংলা উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

১. কুল হুয়াল্লাহু আহাদ।

২. আল্লাহুস সামাদ।

৩. লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ।

৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।

সুরা ইখলাসের বাংলা অর্থ:
পরম দয়ালু ও করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি

১. বলো, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।

২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।

৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকে কেউ জন্ম দেয়নি।

৪. তার সমতুল্য কেউ নেই।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর