এক রাতের ঘুম হারিয়ে গেছে তুমি হারানোর পর; সেদিন থেকে অশ্রু ঝরে সারারাত ভর। দুই শেষ রাতের মুনাজাতে আমি অনেক কিছুই চাই, সৃষ্টিকর্তার কাছে বারবার বলি তোমাকেও যেন পাই। তিন
ফ্লোরালের শৈশবটা যেন একটা লতানো ফুলের মতো চুপচাপ কিন্তু ঘ্রাণে ভরা। প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় তার সঙ্গী ছিল বাবা। সেই পথটা খুব দীর্ঘ ছিল না, তবে স্মৃতিতে যেন অনেক
আমি এখন মানুষ দেখেও ভয় পেয়ে যাই; যেমন করে সাপ দেখলেই পালিয়ে বেড়াই। মানুষগুলো মানুষ তো নয় আজ কেমন যেন, সাপের মতো ফোঁস-ফোঁসে তার ঘ্যানঘ্যান। কানের মাঝে শুধাই তারে দেখলে
পূর্ণতার রাজকুমারি ****************** আমার প্রতিটি মুহূর্ত কেটে যায় এক বিষম যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে, উদাসী এ হৃদয় শুধু কাকে যেন খুঁজে বেড়ায় ক্রমাগত মনে হয়, অপূর্ণ এক অস্তিত্ব আমার আমিতে
গৃহ সন্ন্যাসী ——– মৃত গাছকে যতই জল দাও না কেন; সে কখনো বেঁচে উঠবে না। ঠিক তেমনই সত্যকে স্বীকার করতে শক্তি এবং সাহস লাগে। সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয় যেমন সত্য
পরিবেশ দূষণে মানুষ দায়ী বন আর জঙ্গল হচ্ছে ফাঁকা দূষণ হচ্ছে সব, গাছের ডালে হয়না শোনা পাখির কলরব। গন্ধে ভরা চারিদিকে যায়না নেয়া শ্বাস, মানুষ কাড়ে মানুষেরই বেঁচে থাকার আশ।
আমাকে ভালোবাসতে এসো না আমাকে ভালোবাসলে তোমার পুরোনো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে শহর থেকে গ্রামে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলবে দুঃখের ভারে একেকটি দিন-রাত বর্ষণ হবে আমাকে ভালোবাসলে প্রতিবার তুমি নতুন
পরাধীনতার শিকল ভাঙতে অস্ত্র হাতে রণাঙ্গনে দিলে নেতৃত্ব কাঁধে কাঁধ মিলে যুদ্ধ করে দেখালে নিজের বীরত্ব ২৫ মার্চ জাতির কালরাত্রে তোমার বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলার এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে কৃষক
কবি ও অনুবাদক মাইনুল ইসলাম মানিকের জন্ম ১৯৮৪ সালে চাঁদপুরে। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি) পদে কর্মরত। এ পর্যন্ত তার নয়টি বই প্রকাশিত
ছোটবেলার কথা। প্রায় রাতে আমার বাবা বিভিন্ন কবিতা শুনিয়ে আমাকে ঘুম পাড়াতেন। ঘুরেফিরে নির্দিষ্ট কয়েকটি কবিতা পড়তেন। তবে একটি কবিতা ছিল কমন—কাঠবিড়ালি কাঠবিড়ালি পেয়ারা তুমি খাও…। খালার বাড়ির মাটির ঘরের