যখন দুজনের বয়সের ব্যবধান কমপক্ষে ১৮ বছর হয়, তখন তাদের বন্ধুত্বকে বলা হয় ‘আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব’। বর্তমান সময়ের সামাজিক ধারা অনুযায়ী, এমন বন্ধুত্ব দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গবেষণায় দেখা
ঈদ মানেই আনন্দ, অতিথি আপ্যায়ন আর নানা পদের সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। তবে এই আনন্দের পেছনে থাকে অনেক পরিশ্রম, বিশেষ করে রান্নাঘরে কাটানো দীর্ঘ সময়। বিভিন্ন আইটেম রান্না করতে গিয়ে হাতের
পোলাও তো প্রায় সবারই প্রিয়, কিন্তু যখন সেটা কিমা দিয়ে তৈরি হয়, তখন স্বাদ আরও বাড়ে। ঘরে সহজে পাওয়া জিনিসপত্র দিয়ে মাত্র কয়েক ধাপে তৈরি করা যায় এই কিমা পোলাও,
আনন্দ ভাগাভাগি করা। এই বিশেষ দিনে খাবারের মানে শুধু পেট ভরা নয় বরং অতিথিদের জন্য এক ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা তৈরি করাও। সাধারণ পোলাও, মাংস ও সুস্বাদু সেমাই তো সবারই প্রিয়,
ঈদের আনন্দ মেহেদি ছাড়া কল্পনাও করা যায় না। হাতের রঙিন কারুকাজ শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং পুরো উৎসবের পরিবেশকেও প্রাণবন্ত করে তোলে। তবে মেহেদি যত সুন্দর হোক না কেন, রং
ঈদ মানেই নানা ধরনের মিষ্টি খাবারের আয়োজন। সেমাইয়ের পাশাপাশি একটু ভিন্ন স্বাদের কিছু রাখতে চাইলে শাহী টুকরা হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ। মচমচে পাউরুটি, ঘন দুধ আর বাদামের মিশ্রণে তৈরি
ঈদের দিন মানেই নানা রকম মিষ্টির আয়োজন। চেনা-জানা মিষ্টির পাশাপাশি নতুন স্বাদের কিছু রাখলে অতিথি আপ্যায়ন আরও জমে ওঠে। এমনই একটি ডেজার্ট হলো ফ্রুট ট্রাইফেল। এটি যেমন দেখতে সুন্দর, তেমনি
ঈদ মানেই অনেক মুখরোচক আর জিভে জল আনা খাবারের আয়োজন। একদিকে সেসব খাবার দেখে নিজেকে সামলে রাখা দায়, অন্যদিকে সারা মাস রোজা রেখে আমাদের পেট তখন হঠাৎ একসঙ্গে এত এত
কিডনি আমাদের শরীরের একটি নীরব কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন এই দুটি ছোট অঙ্গ রক্ত পরিশোধন করে, শরীরের বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং
ঈদের আনন্দ মানেই পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে বসে পছন্দের খাবার উপভোগ করা। আর এই উৎসবের টেবিলে মাটন বিরিয়ানি থাকলে যেন আনন্দে যোগ হয় বাড়তি স্বাদ। বাইরে থেকে অর্ডার নয়, এবার ঈদে