ছোটবেলা থেকেই পাখির প্রতি শখ ও গভীর ভালোবাসা মেহেদী হাসান শুভর। সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন পাখির ব্যবসা। প্রতি মাসে ২-৩ লাখ টাকার পাখি বিক্রি করেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।
সরিষা ফুল থেকে মধু চাষ করে বাজিমাত করেছেন আল আমিন ও তার বাবা সাবু মোল্লা। মাগুরা সদরের ডেফুলিয়া গ্রামে সরিষা ক্ষেতে মৌ-বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন তারা। প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন
শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ে। তাই তো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের গাছি মো. শহিদ মোল্লা (৪৬) রসের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তার বাগানের খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান।
পৌষের শীতল সকাল নামলেই গ্রামাঞ্চলে চোখে পড়ে চিরচেনা দৃশ্য। যতদূর চোখ যায়, বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ধানগাছের অবশিষ্টাংশ বা গোড়া। স্থানীয় ভাষায় যাকে বলা হয় ‘নাড়া’। পৌষ মাসে ধান
পৌষের শুরুতে মাগুরার ৪ উপজেলায় কৃষকেরা আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই পেঁয়াজের চারা নিয়ে মাঠে মাঠে রোপণ করছেন তারা। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের খর্দ্দফুলবাড়ী গ্রামে নিবিড় যত্নে গড়ে উঠেছে এক শিক্ষকের স্বপ্নের বরই বাগান। উপজেলার বনগ্রাম সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শরাফাতুল আলম নিজ উদ্যোগে বাড়ির আঙিনায়
পৌষ-মাঘ দুই মাস শীতকাল। দেশে বইছে পৌষের শীত। মাসের শুরুর দিকে শীতের তীব্রতা বেশি না হলেও শেষদিকে বইতে পারে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় অনেকে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেন। এই বীজতলার
আমাদের কৃষি ও কৃষকের অবস্থা দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। দেশের বিপুল পরিমাণ জমি চলে যাচ্ছে অকৃষি খাতে। এভাবে চললে একদিন হয়তো চাষাবাদের জন্য জমি ফুরিয়ে যাবে—এমন আশঙ্কা অমূলক নয়।
দিগন্তবিস্তৃত মাঠজুড়ে হাসছে হাজার হাজার সূর্যমুখী। মেঘনা নদীর মৃদু হাওয়ায় দোল খাওয়া এই হলুদের আভা যেন এক অপার মুগ্ধতার হাতছানি। নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দি এলাকায় গেলে মনে হবে, কোনো নিপুণ শিল্পী মাটির
শীত মৌসুমে পাবনার ৯টি উপজেলায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন শোভা পাচ্ছে হলুদ সরিষা ফুল। হলুদের চাদরে মোড়ানো এমন অপরূপ দৃশ্য দেখতে ফসলের মাঠে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। প্রতি বছরই শীতের এ সময়টাতে