1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

মাগুরায় আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা

কৃষি ও প্রকৃতি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৬ বার পঠিত

পৌষের শুরুতে মাগুরার ৪ উপজেলায় কৃষকেরা আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই পেঁয়াজের চারা নিয়ে মাঠে মাঠে রোপণ করছেন তারা। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল গ্রামের কদমতলা উত্তর গোবিনপুর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকেই কৃষকেরা পেঁয়াজের চারা হাতে নিয়ে জমিতে রোপণ করছেন। সারিবদ্ধভাবে প্রতিটি লাইনে পেঁয়াজের চারাগাছ রোপণ করা হচ্ছে।

কৃষক হারেজ আলী বলেন, ‘আজ চার দিন হলো সূর্যের দেখা ঠিকঠাক মিলছে না। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজে আসতে চায় না সাধারণ কৃষক। তবুও পারিবারিক আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে আমাদের কাজ করতে হয়। কাদা, মাটি, পানি, কাচি নিয়ে আমাদের কাজ।’

নাকোল গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘একমাস আগে পেঁয়াজের চারার বীজ রোপণ করেছিলাম। একমাসের মধ্যে চারা গজানোর পরপর তা উত্তোলন করে জমিতে রোপণ করতে হয়। পৌষের শুরুতে ২০ বিঘা জমিতে আগাম পেঁয়াজের চারা রোপণ করছি। এতে ৮-১০ জন শ্রমিক নিয়োগ করেছি।

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন একেক জন শ্রমিক বাবদ ৫০০-৬০০ টাকা খরচ হচ্ছে। ২০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে উৎপাদন খরচ হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে। এবার বাম্পার ফলন হলে এ চাষে ৩০ লাখ টাকা আয় হবে। চৈত্র মাসের শুরুতে এই পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে।

কদমতলা উত্তর গোবিন্দপুর গ্রামের চাষি ইকরাম মোল্লা বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজের আবাদ ভালো হবে। তীব্র শীতের মধ্যে পেঁয়াজের চারা রোপণ করছি। ১৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করছি। এই চাষে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করবো। চাষে আমার ৪ লাখ খরচ হচ্ছে। পেঁয়াজের চারা রোপণের আগে জমি প্রস্তুত করতে হয়। চারা গাছ রোপণের পরপর জমিতে নিয়মিত সার ও সেচ দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের চারা একমাস পর বড় হলে জমিতে পরিচর্যা বাড়াতে হবে। অতিরিক্ত ঘন কুয়াশার কারণে পেঁয়াজের চারা অনেক সময় বাড়তে বাধাগ্রস্ত হয়। চারা গাছের বেশি ক্ষতি হলে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিতে হবে। এবার আমি দুই জাতের পেঁয়াজের বীজ রোপণ করেছি। আশা করছি আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে।’

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এবার শীত মৌসুমে মাগুরার ৪ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। এবার আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে। চলতি বছর জেলায় ৮৫৮ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। সদরে ১৪০ হেক্টর, শ্রীপুরে ৪৫০ হেক্টর, শালিখায় ২০৫ হেক্টর ও মহম্মদপুরে ১৬৩ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। বিনা মূল্যে প্রান্তিক চাষিদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছি।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর