মাগুরা জেলার সদর উপজেলায় বরই চাষ নতুন করে সম্ভাবনার কথা শোনাচ্ছে। বিশেষ করে বালসুন্দরী, আপেল ও কাশ্মিরি জাতের বরই চাষে আগ্রহ বাড়ায় কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বাক্সে মৌমাছি চাষ করে মাসে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় করছেন নারায়ণগঞ্জের বারদী এলাকা থেকে আসা মৌচাষি পল্লব রায়সহ কয়েকজন তরুণ। বছরের প্রায় ৬ থেকে
নদীর অগভীর জলে কোমরভেজা অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি যেন সময়ের সঙ্গে লড়াই করা এক প্রতীক। দুহাতে ছড়িয়ে ধরা জাল দিয়ে মাছ ধরছেন তিনি। ব্যবহার করছেন ‘খুচইন জাল’। কোনো কোনো অঞ্চলে
বাংলার দক্ষিণ উপকূলের দিগন্তজোড়া চরাঞ্চল আর লোনা পানির ছোঁয়া যেখানে মিশেছে; সেখানেই একসময় রাজত্ব ছিল বিশাল শিংওয়ালা কালো রঙের শক্তিশালী এক প্রাণীর—মহিষ। উপকূলীয় জীবনযাত্রার নীরব কিন্তু শক্তিশালী সহচর ছিল প্রাণীটি।
করোনাকালের দুঃসময় এখনো মানুষের স্মৃতিতে তাজা। অনেকের জন্য সেই সময় ছিল শুধু অসহায়ত্ব আর অনিশ্চয়তার নাম। চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন হাজারো মানুষ। কিন্তু সেই দুর্যোগের মাঝেও কেউ কেউ খুঁজে
শীতের আমেজে লালমনিরহাটের কৃষিজমিগুলো এখন কর্মচঞ্চল। জেলার পাঁচটি উপজেলায়ই শীতকালীন সবজি ও আগাম জাতের আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ক্ষেত থেকে নতুন আলু তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন
রাতের আঁধারেও যেন দিনের আলো। এরকম এক পরিবেশ বিরাজ করছে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর গ্রামের মাঠে। আধুনিক ইনডোর লাইটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে অমৌসুমে ড্রাগন চাষে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছেন
শান্ত নদীর বুকে সারি সারি খাঁচার মধ্যেই চলছে মাছ চাষ। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে বিক্রি করছেন লাখ লাখ টাকা। অন্যরা যেখানে নদীর পানিতে এমন কিছু করার কথা কল্পনাও করেননি;
অন্যের বাগানে বরই কিনতে গিয়ে অনুপ্রাণিত হন পটুয়াখালীর এক গৃহবধূ। তার চোখে দেখা স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। উদ্যোগ, পরিশ্রম আর সঠিক পরিচর্যায় বরই চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন সদর উপজেলার
আমের রাজধানী হিসেবে দেশ-বিদেশে সুপরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। কয়েক যুগ ধরে জেলার কৃষি ও অর্থনীতি আবর্তিত হয়েছে আমকে কেন্দ্র করেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, অনিয়মিত বৃষ্টি, রোগবালাই, উৎপাদন খরচ