1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

খেজুরের রসে পাঁচগুণ লাভের আশা গাছি শহিদ মোল্লার

কৃষি ও প্রকৃতি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৩ বার পঠিত

শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ে। তাই তো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের গাছি মো. শহিদ মোল্লা (৪৬) রসের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তার বাগানের খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান।

জানা যায়, মো. শহিদ মোল্লার জন্ম ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়। দীর্ঘ ৯ বছর বিভিন্ন জেলায় ঘুরে খেজুর বাগান কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ৫০ হাজার টাকায় সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হামছাদী এলাকায় ১০ শতাংশ জমির খেজুর বাগান কেনেন। মৌসুমি চুক্তিতে কেনা বাগানটিতে ২৭টি গাছ আছে। গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৬০-৬৫ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি করেন।

গাছি মো. শহিদ মোল্লা বলেন, ‌‘রাকিব নামের একজনের সহযোগিতায় তার সঙ্গে পার্টনারশিপ চুক্তিতে ৫০ হাজার টাকায় বাগানটি কিনেছি। ডিসেম্বর থেকে রস নামানো শুরু করে এখন পর্যন্ত ২ লাখ টাকার মতো বিক্রি করেছি। আরও ১ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। আমি ভোর আর রাত ৯টায় রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ১৫০-১৬০ টাকা দরে মানুষকে দিই। এখানে খেজুরের বাগান কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে।’

তিনি বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি এবং আমার পার্টনার কাজ করছি। আমি কৃষি অফিসের কাউকে চিনি না। তাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করতে পারিনি।’

খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, ‘রস পাওয়া যাবে বলে রায়েরবাগ থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো।’

সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাইদ তারেক জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা নিয়মিত কৃষকদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। মূলত বর্তমানে প্রণোদনা কম আছে। তবুও কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। আমি খেজুরের রসের বিষয়ে খোঁজ নেবো।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর