1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

চাঁদপুরে খাল খনন শেষে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও কুলসুম মনি

জেলা প্রতিনিধি | চাঁদপুর |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

চাঁদপুর মতলব উত্তরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি।

জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার পানি নিস্কাশনের খাল পুনঃখনন কাজের মুন্সিরকান্দি-লবাইরকান্দি ব্রিজ থেকে ব্রাহ্মণচক কলসভাঙ্গা ব্রিজ পর্যন্ত ৩.৫ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খাল খনন কাজ শেষ হওয়ার পর ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়। ওই বরাদ্দের অব্যবহৃত টাকা ফেরত দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজ প্রশংসায় করছে।

স্থানীয় যুবক ফারুক হোসেন জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর