1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

বন্যা থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকের করণীয়

কৃষি ও প্রকৃতি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বন্যা বা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ফসলের। প্লাবিত অঞ্চলের মানুষ দুর্বিষহ সময় কাটায়। তাই দুর্যোগে ফসল রক্ষা করতে কৃষককে প্রস্তুতি নিতে হয়। কিছু করণীয় সম্পর্কে জানতে হয়।

পানি দেখামাত্র কৃষি উপকরণ বিশেষ করে বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি উঁচু নিরাপদ স্থানে ভালোভাবে রাখতে হবে।
বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করা দরকার। উঁচু জায়গা না হলে কলাগাছের ভেলা বা চাটাইয়ের ওপর ভাসমান বীজতলা তৈরি করা যায়।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চারার পাতায় পলিমাটি লেগে থাকলে পানি ছিটিয়ে তা ধুয়ে দিতে হবে। বন্যার পর বেঁচে যাওয়া চারা দ্রুত বাড়ার জন্য ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা ভালো।

জমির ভালো জায়গার সুস্থ চারা থেকে কিছু চারা তুলে ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে হবে। পানি সরে যাওয়ার পর চারার পাতা ৮-১০ সেন্টিমিটার আগা কেটে বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে।

পাটগাছের ডগা কেটে মাটিতে পুঁতে দেওয়া। পরে এগুলো থেকে নতুন ডালপালা বের হলে তা থেকে মানসম্মত বীজ উৎপাদন করা যায়।

বন্যার পানি নেমে গেলে বিনা চাষে গিমাকলমি, লালশাক, ডাঁটা, পালং, পুঁই, ধনে, ভুট্টা, সরিষা, মাসকলাই, খেসারি, আলু চাষ করা যায়।
বন্যার সময় টব, মাটির চাড়ি, কাঠের বাক্স, কাটা ড্রাম, পুরোনো টিন, পলিব্যাগ ও কলার ভেলায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, লাউ ও মরিচের চারা উৎপাদন করা যায়।

আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত শাক-সবজি ও অন্যান্য ফসলি জমির রস কমানোর জন্য মাটি আলগা করে ছাই মিশিয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করা উচিত।
রোপিত ফলের চারার গোড়ার পানি নিকাশের জন্য নালার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে গোড়ায় মাটি দিয়ে সোজা করে খুঁটির সাথে বেঁধে নেওয়া যায়। গোড়ার মাটি শুকালে পরিমাণমতো সার দিতে হবে।

বন্যার পর জমিতে জো আসা মাত্রই চাষ ও মই দিয়ে অথবা বিনা চাষে ডিবলিং পদ্ধতিতে তুলা বীজ বপন করা যায়। পলিব্যাগে বা বীজতলায় তুলা বীজের চারা তৈরি করা যায়। পানি নেমে গেলে ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে।

আখের জমি বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আগে গোড়ায় মাটি দিয়ে ভালোভাবে বেঁধে দিতে হবে। পানির স্রোতে আখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে যথাসময়ে জমির আইলে ধনচের বীজ বুনে দেওয়া ভালো।

পুরাতন পাতা এবং প্রতি ঝাড়ে ৫-৬টি সুস্থ কুশি রেখে অতিরিক্ত কুশি কেটে দিতে হবে। পানি নেমে যাওয়ার পর আখ গাছ ঢলে পড়লে গাছের ঝাড় মুঠি করে বেঁধে দিতে হবে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর