1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

ফেনীতে আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

জেলা প্রতিনিধি | ফেনী |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫২ বার পঠিত

ফেনীর ৬ উপজেলায় রোপা আমনের আবাদ যেমন লক্ষ্যমাত্রার বেশি হয়েছে তেমনি ফলনও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এরই মধ্যে জেলার অর্ধেকের বেশি ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। শেষ হতে আরও সপ্তাহ খানেকের বেশি লাগবে বলে ধারণা কৃষি বিভাগের।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৬ হাজার ৭৫৫ হেক্টর। ছয় উপজেলায় আবাদ হয়েছে প্রায় ৬৭ হাজার হেক্টর। কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী জেলায় উচ্চ ফলনশীল জাতের আবাদ হয়েছে বেশি। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯০ শতাংশই উচ্চ ফলনশীল জাত আবাদ করেছে কৃষকরা। জেলায় এ জাতের আবাদ হয়েছে ৬৩ হাজার ৭৮৫ হেক্টর, অন্যদিকে স্থানীয় জাতের ২ হাজার ৯২১ হেক্টর আর হাইব্রিড হয়েছে মাত্র ৮৮ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা উফশী জাতের প্রতি হেক্টরে ৪ দশমিক ০৫ মেট্রিক টন থাকলেও এরই মধ্যে কর্তন হওয়া জমিতে আরও বেশি উৎপাদন হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সময়মতো বৃষ্টিপাত এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর রোপা আমনের ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের জেলা থেকে মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণও কৃষকদের আমন আবাদে উৎসাহ যুগিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছেন।

ইউনিয়নের মমারিজপুর গ্রামের কৃষক মাইন উদ্দিন জানান, তিনি ২ একর জমিতে উফশী জাতের মাটির উর্বরতা বেড়ে দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা আমন আবাদ করেছেন। এবারে বন্যার ফলে যাওয়ায় সারের ব্যবহার কম হয়েছে। ফলে আমনে অন্যবারের তুলনায় ব্যয় কিছুটা কমেছে।

কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৮৩শতাংশ কাটা সম্পন্ন হয়েছে। ২০ নভেম্বর থেকে জেলায় আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে অবশিষ্ট জমির ধান কাটা সম্পন্ন হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আতিক উল্যাহ জানান, এ বছরের আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় জেলায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। একইসঙ্গে বন্যায় পলি জমার কারণে সারের ব্যবহার অর্ধেক কমেছে। এতে করে কৃষকদের যেমন খরচ কমেছে, অন্যদিকে ফলনও ভালো হওয়ায় তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। এছাড়া চলতি মৌসুমে পোকামাকড় দমনে পার্সিং, আলোকফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি জেলায় অনাবাদী জমির পরিমাণ কমিয়ে আনতে। সব ধরনের জমি আবাদের আওতায় আনতে কৃষি বিভাগের কর্মীরা কৃষকদের উৎসাহিত করছেন। অপরদিকে সরকারও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদেরকে নানা ভাবে প্রণোদনা দিচ্ছেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর