1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি

অপহরণের পর সৌদিতে প্রবাসীকে হত্যা, দুই মাস পর মরদেহ উত্তোলন

জেলা প্রতিনিধি | লক্ষীপুর |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার পঠিত

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে দাফনের দুই মাস পর মহসিন কবির নামে এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সৌদি আরবেই তাকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্ত চলছে।

মরদেহ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেনের উপস্থিত ছিলেন। মৃত মহসিন সদর মতলবপুর গ্রামের মাওলানা মো. নুরুল্লাহ’র ছেলে।

পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর মহসিন একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরির উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। সেখানে তার মালিক মোরশেদ আলমের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে তার দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন তাদের দ্বন্দ্ব চলে। এর মধ্যেই চলতি বছরের ১৭ আগস্ট মহসিন সেখানে অপহরণের শিকার হয়। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ ছিল। ঘটনার কয়েকদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর মহসিনের মরদেহ দেশে আসে। মরদেহ গ্রহণের সময়ই পরিবার সন্দেহ করে মহসিনের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তাকে পরিল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করে পরিবার। পরে ২২ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী রওশন আক্তার বাদী হয়ে মোরশেদ আলমসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত মোরশেদ সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হাসন্দি এলাকার বলের বাড়ির মৃত সিরাজ উল্যার ছেলে। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- মোরশেদের স্ত্রী রোকসানা আক্তার, আত্মীয় মো. হাছিব, মো. রায়হান। তারা হাসন্দি এলাকার বাসিন্দা।

প্রতিবেশী আবু সাঈদ বলেন, মহসিন যার কাছে সৌদি গেছে সেই তাকে অপহরণ করে অন্যান্যদের দিয়ে হত্যা করিয়েছে। তার স্বাভাবিক মৃত্যুর যে ময়নাতদন্ত দিয়েছে তাতে আমাদের সন্দেহ হয়েছে। পরিবারের লোকজন, সৌদিতে থাকা স্বজন ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে না জানিয়েই দেশে লাশ পাঠিয়ে দিয়েছে। এজন্য আমাদের সন্দেহ মোরশেদই খুনী। এজন্য আমরা মামলা করিয়েছি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ বলেন, মামলার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মহসিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ফের দাফন করা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর