1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চার মাসে রেমিট্যান্স এলো ১ হাজার ১৬৯ কোটি ডলার ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা

চালের দাম কেন বাড়ছে, সেটা এখনো রহস্য : গভর্নর

জেলা প্রতিনিধি | রাজশাহী |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১২০ বার পঠিত

দেশে চালের দাম কেন বাড়ছে, সেটা আমাদের কাছে এখনো রহস্য বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘চালের দাম এতখানি বাড়া হয়তো উচিত হয়নি বা উচিতের তো ইস্যু না। এটা হয়েছে। এটাই সত্য।’

গতকাল বিকালে রাজশাহীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে রাজশাহী অঞ্চলের বিজ্ঞ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের মতামত-পরামর্শ সংগ্রহে এ সভার আয়োজন করা হয়। নির্বাহী পরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে মুদ্রানীতিবিষয়ক দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র উপস্থাপন করেন।

মতবিনিময় সভার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য শেষে মুক্ত আলোচনা শুরুর পর কুষ্টিয়ার এক চালকল মালিক চালের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, এখন ধানের দাম বেশি অথচ কৃষকের কাছে কোনো ধান নেই।

তার কথার সূত্র ধরে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘চাল কার কাছে আছে? আপনি বলবেন, আপনার কাছে নেই। কৃষক বলবে, তার কাছে নেই। তাহলে থাকবে কার কাছে? আমাদের কাছে, ভোক্তার কাছে? ভোক্তারা তো এক বছরের চাল কিনবে না। ভোক্তার কাছে তো এক মাসের, ১৫ দিনের বা ১০ দিনের চাল থাকতে পারে। থাকতেই হবে কারো কাছে। হয় আপনাদের কাছে, না হয় কৃষকের কাছে। এটা তো আর আমাকে বোঝানোর দরকার নেই। আমাকে বুঝতে হবে কেন বিষয়টা ধরা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর মোটামুটিভাবে ধানগুলো শুকানো হয়ে গেছে। আমার ধারণা, বেশির ভাগ ধান এখন কৃষকের কাছেই আছে। আমি একটা গবেষণা শুরু করে দিয়েছি। গ্রামে গ্রামে আমার লোক গিয়ে জরিপ করছে। বেশির ভাগ ধান কৃষকের কাছে আছে। এর সুবিধা কৃষকই পাবেন। যে জিনিসটা গত ২০ বছর ধরে হচ্ছে, মৌসুম এলেই ধানের দাম কমে যেত এবং পরে অনেক বেড়ে যেত। সেটার পরিমাণটা কিন্তু এখন দিন দিন কমে আসছে।’

গভর্নর বলেন, ‘কৃষক ধানের দাম পাচ্ছেন না, এটা ঠিক নয়। এ বছরের মতো ধানের উচ্চমূল্য কৃষক কোনো দিন পায়নি। গত বছরের চাইতেও বেশি। গত বছরও বেশি ছিল।’

আলোচনার একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বাজারে হস্তক্ষেপ করতে যাবেন না। লাভ হবে না। চালটা কোথায় আছে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। কেন সেটা এর হাতে আছে, ওর হাতে নেই বা দুজনের হাতেই আছে বা কম আছে। সেটার ভিত্তিতে আমাকে বাজারকে দেখতে হবে।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর