1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

লবণাক্ত জমিতে বিনা চাষে সূর্যমুখীতে সফলতা

কৃষি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৮ বার পঠিত

দক্ষিণাঞ্চলে আমন ধান কাটার পর বিস্তীর্ণ জমি পড়ে থাকে। মাটি ও পানিতে লবণ থাকায় সহজে অন্য কোনো ফসল ফলানো কঠিন। তবে বর্তমানে এসব জমিতে বিনা চাষে ডিব্লিং পদ্ধতিতে সূর্যমুখী চাষে সফলতা এসেছে। নতুন এই প্রযুক্তি সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র সাতক্ষীরা।

বিনার গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লবণাক্ত অঞ্চলে রোপা আমনের পর বিনা চাষে সূর্যমুখী চাষ বিষয়ক মাঠ মূল্যায়ন প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল বিকেলে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিএআরসির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার প্রশাসন ও সাপোর্ট সার্ভিস বিভাগের পরিচালক ড. মো. আজিজুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, পিসিইউ-বিএআরসি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মো. আশরাফুল আলম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জামাল উদ্দিন, খুলনা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার ইনচার্জ ড. শিল্পী দাস ও ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইনসাদ ইবনে আমিন।

এ সময় কর্মকর্তারা কৃষকদের রোপা আমনের পর বিনা চাষে সূর্যমুখীর চাষ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে জানান, এখানে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি আমন ধান কর্তনের পর ভেজা মাটিতে সূর্যমুখীর বীজ ডিব্লিং পদ্ধতিতে বপন করা হয়েছে। এরপর চারা গাছের গোড়া বেঁধে সার প্রয়োগ করা হয়েছে। গবেষণায় তিনটি জাত ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয়, বারি সূর্যমুখী-২ এবং হাইসান-৩৩ জাতের সবকটিতেই ফল এসেছে। এগুলোর মধ্যে হাইসান-৩৩ জাতের ফলন ভালো হয়েছে।

বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম বলেন, ‘সূর্যমুখী একটি লবণসহিষ্ণু ফসল। ফলে খুলনা, সাতক্ষীরাসহ লবণাক্ত এলাকার জমিতে সূর্যমুখী চাষের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সূর্যমুখী চাষাবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষি বিভাগকে সহযোগিতা করছি।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর