1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

মানিকগঞ্জে খেসারি কালাই ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

জেলা প্রতিনিধি | মানিকগঞ্জ |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৬১ বার পঠিত

খেসারি কালাই ঘরে তুলতে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। মানিকগঞ্জ জেলার কৃষকেরা কালাই উঠানো, মলন ও পালা দেওয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের আশা সারাবছরের লোকসান পুষিয়ে দেবে খেসারি কালাই।

কৃষকেরা বলছেন, এ বছর ফলন‌ কম হয়েছে। অন্য ফসলেও তেমন লাভ হয়নি। খেসারিতে খরচ কম হলেও দাম ভালো পেলে কিছুটা লাভের আশা করছেন তারা।

মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত অর্থবছর জেলায় খেসারি কালাই চাষ হয়েছিল ২ হাজার ১৪ হেক্টর জমিতে। গত বছরের চেয়ে ৭২ হেক্টর কমে এ বছর চাষ হয়েছে ১ হাজার ৯৪২ হেক্টর জমিতে।

উভাজানী গ্রামের কৃষক মানিক দেওয়ান বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘৮ বিঘা জমিতে কলই চাষ করেছি। গত বছরের চাইতে এ বছর ফলন কম। কৃষকের আয় নাই। কামলা পইরাতের (শ্রমিক) দাম বেশি। এর মধ্যে বৃষ্টিতে জ্বালাইছে। এহনো মলন শেষ হয় নাই।’

কুড়িগ্রাম থেকে কাজ করতে আসা সবির আলী বলেন, ‘আমি কুড়িগ্রাম থেকে কলই কাটার কাজ করতে এসেছি। আজ ১০-১২ দিন হয়। আরও কয়েক দিন কাজ করে বাড়ি যাবো। বাড়ি গিয়ে ঈদ করবো। আমাকে প্রতিদিন ৬০০ টাকা করে দেয়।’

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রাজিব বলে, ‘আমি পড়াশোনার পাশাপাশি বাবা-চাচাকে কৃষিকাজে সাহায্য করি। এখন খেসারি কালাইয়ের মলন ভাঙতেছি। কিছুক্ষণ পর মলন দিবো।’

কৃষক রবিউল দেওয়ান বলেন, ‘আগে প্রতি বিঘায় ৫ মণ করে খেসারি পেতাম। এ বছর প্রতি বিঘায় ৪ মণ করে আসতে পারে। এ বছর অন্য ফসলের দামটা কম পাওয়ায় ক্ষতিতে আছি। আশা করছি পূর্বের ফসলের জেরটা আমরা যাতে উঠিয়ে আনতে পারি।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. রবীআহ নূর আহমেদ বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘জেলায় বন্যা না হওয়ায় খেসারি কালাইয়ের আবাদ কমে যাচ্ছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে জমিতে খেসারি ছিটিয়ে দিতে হয়। তাছাড়া ফলন কমে যাওয়ার কারণ বন্যা। আগে বন্যা হলে মাটিতে পলি জমতো। পলি যেখানে বেশি জমবে; সেখানে ফসল ভালো হবে।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর