1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

মহাসড়কের বিভাজকে শীতকালীন সবজি চাষ

কৃষি ও প্রকৃতি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৭ বার পঠিত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বিভাজকে শীতকালীন সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উপজেলার প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মহাসড়কের মাঝে গড়ে তোলা হয়েছে সবজি বাগান। চাষ করা হয়েছে শিম, লাউ, করলা, বেগুন, পেঁয়াজ, পেঁপে, মুলা, পালংশাক, লালশাক, লাউ, ধনেপাতা ও মরিচসহ বিভিন্ন জাতের সবজি।

কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও বিনা মূল্যে বীজ পেয়ে স্থানীয়রা এ অভিনব চাষাবাদ শুরু করেন। মাটির উর্বরতা ভালো হওয়ায় চমৎকার ফলনে কৃষকদের আয়ও বেড়েছে। সাধারণ মানুষ পাচ্ছে তরতাজা শাক-সবজি। শুধু সবুজ সৌন্দর্যই নয়, সবজি বিক্রি করে আয়ও হচ্ছে। স্থানীয়দের বাড়তি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের মাঝে উপজেলার প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন জাতের সবজির সমারোহ। এলাকার বাসিন্দারা এসব সবজি চাষ করছেন। রং-বেরঙের এসব শাক-সবজি মহাসড়কের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এলাকাবাসী ও পথচারীরা জানান, বিভাজকের ওপরের অংশ খালি থাকায় বিভিন্ন জাতের শাক-সবজির চাষ করছেন কিছু উৎসাহী মানুষ। এতে পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারজাতকরণও হচ্ছে। আগে সড়কের পাশের আইল্যান্ড ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকতো। এখন রং-বেরঙের শাক-সবজির সমারোহ হয়ে উঠেছে। দেখতেও অনেক ভালো লাগছে।

উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম এখানে সবজি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের রোড ডিভাইডারের বেশ কিছু জায়গা পরিত্যক্ত ছিল। এই স্থানে লাউশাক, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। কৃষি বিভাগের সহায়তায় সবজির ভালো ফলনোও হয়েছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণসহ বিক্রিও করছি।’

কৃষক শামীম মিয়া বলেন, ‘সড়কের মাঝের জায়গাগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেখছি পড়ে আছে। এখানে কিছুই লাগানো হয়নি। নোংরা হয়ে পড়েছিল। এগুলো পরিষ্কার করে এ বছর শিম, লাউ, করলা, বেগুন, মরিচসহ হরেক রকমের সবজি চাষ করে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়েছি। বিক্রি করেছি বাজারেও। প্রতিবেশীরাও খাচ্ছেন।’

গাড়িচালক মো. রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমি এই রাস্তায় ট্রাক চালাই। গোবিন্দগঞ্জের এই অংশে এলে মন ভালো হয়ে যায়। রাস্তার মাঝখানে সবুজের সমারোহ দেখতে ভালোই লাগে।’

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিলাস কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘মহাসড়কের বিভাজকের পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি চাষে কৃষকের আগ্রহ দেখে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে পরামর্শ ও কৌশলগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর