1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা

টাঙ্গাইলে টমেটোর দাম কম হওয়ায় হতাশ চাষিরা

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৭৬ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের চরাঞ্চলে টমেটোর ব্যাপক চাষ হয়েছে। বিষমুক্ত টমেটো চাষে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বর্তমানে দাম কম থাকায় কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষিরা। এ অঞ্চলের টমেটো স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে রাজধানীসহ সারাদেশে। কৃষি বিভাগ বলছে, কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

কৃষকেরা বলেন, ‘টমেটোর বাম্পার ফলন হলেও দাম কম পাওয়ায় আমরা হতাশ। উপজেলায় এবার বিভিন্ন জাতের টমেটো চাষ হয়েছে। বিক্রির শুরুতে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হতো। বর্তমানে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে লোকসানের আশঙ্কা করছি।’

সরেজমিনে জানা যায়, চাষিরা এখন গাছ থেকে টমেটো তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। দাম কম থাকায় তারা হতাশ। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর ১৫২ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। গত বছর ১৩০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়। কৃষক বাদশা মিয়া বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘১১৫ শতাংশ জমিতে টমেটো করেছি। বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে গিয়ে ৩০০ টাকা মণ বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে প্রতি মণ ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা বিক্রি হতো। উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে টমেটোর দাম কম। সার-বীজের দাম বেশি হওয়ায় খরচও বেশি। এখন পর্যন্ত দেড় লাখ টাকার টমেটোও বিক্রি হয়নি।’

ব্রোকলি চাষে সফল মিরসরাইয়ের কৃষি উদ্যোক্তা মামুন
কৃষক রুবেল ইসলাম বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘টমেটোগুলো ক্ষেত থেকে তুলে বিক্রির জন্য রাখা হচ্ছে। কিন্ত ক্রেতা কম থাকায় ঠিকমতো বিক্রি করতে পারছি না। সার ও বীজের বাড়তি দামের কারণে চাষে ক্ষতি হবে। সরকারের সহযোগিতা ও দাম বৃদ্ধির জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

কৃষক মো. রবিউল বলেন, ‘এবার সারসহ কামলার দাম বেশি। যার কারণে চলতি মৌসুমে টমেটো আবাদে খরচ বেশি হয়েছে। গ্রামের বেশিরভাগ কৃষকের একই অবস্থা।’

গৃহিণী আমেনা বেগম বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘এ বছর বাড়ির পাশের প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে টমেটো চাষ করেছি। বাম্পার ফলন হলেও দাম পাচ্ছি না। দাম কম হলে অনেক লোকসান হবে। তবে আশা করছি সামনে দাম বাড়বে।’

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত মিয়া বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘বাজারে কৃষকেরা ৩০ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করছেন। ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে পারলে লাভবান হতেন। আরও ২ মাস টমেটো থাকবে। দাম আরও বেশি হলে তারা লাভবান হতেন।’

নাগরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার এসএম রাশেদুল হাসান বিজনেস ডাইজেস্টকে বলেন, ‘উপজেলায় টমেটো চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা আছে। নাগরপুরে টমেটোর আবাদ দিন দিন বাড়ছে। টমেটো চাষে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। আমরা চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করছি।’

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর