গাজীপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ কাপাসিয়া। এ অঞ্চলের রাজনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সমৃদ্ধ হলেও উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কাপাসিয়া এখনো অনেক পিছিয়ে। শিল্প-কারখানা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পর্যাপ্ত সুযোগ না
নীল নদের উৎপত্তি স্থলে, ছবি: লেখকের সৌজন্যে আফ্রিকার বুকের এক বিশেষ কোণে; যেখানে প্রকৃতি ও ইতিহাস মিলেমিশে এক অপূর্ব সমাহার সৃষ্টি করেছে, সেখানে অবস্থিত জিঞ্জা শহর। আমাদের এবারের যাত্রা মূলত
মুগ্ধকর মনোরম পরিবেশ হিসেবে বেছে নেওয়া হলো সৌন্দর্যের আধার সিলেটকে। পাহাড়, ঝরনায় এক অমলিন বহিঃপ্রকাশ। দিনটা ৩ সেপ্টেম্বর। সময় বিকেল সাড়ে ৫টা। সঙ্গে আমাদের সহপাঠী আর শিক্ষকরা। গাড়ি সবকিছুকে ফেলে
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী জলপ্রপাতের সঙ্গে আজ দেখা হয়ে গেল। এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, এক অতুলনীয় বিস্ময়ের সাক্ষাৎ। নীল নদের প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাপথে একটি জায়গায় এসে নদী হঠাৎ যেন
ভূগোলের শিক্ষার্থীদের কাছে নতুন বর্ষে ওঠা মানে আবার ক্লাস, প্রাকটিক্যাল আর ফিল্ড ওয়ার্ক। আর ফিল্ড ওয়ার্ক মানেই হলো হাফ টাইম মাঠকর্ম আর ফুল টাইম ভ্রমণ। আমরা ফিল্ড ওয়ার্কের জন্য গন্তব্য
বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্যের অন্যতম হচ্ছে শরৎকাল। শরৎকালের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কাশফুল। এই কাশফুলের নরম ছোঁয়া, সফেদ শুভ্রতা ও সাদা মেঘের ভেসে যাওয়ার দৃশ্য সবারই মন কেড়ে নেয়। মাদারীপুরেও বেশ কয়েকটি জায়গায়
কাঁচা-পাকা রাস্তা এখানেই শেষ। বাকি চার কিলোমিটার পথ পায়ে হাঁটার। গিরি, ঝিরি ও উঁচু-নিচু পাহাড়ি ঢাল। রোমাঞ্চকর এই পথের শেষে আছে ঠান্ডা এক ঝিরি। হাঁটু পানির এই ঝিরিই আমাদের নিয়ে
কাঞ্চনজঙ্ঘা ভারতের সিকিম রাজ্য ও নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে অবস্থিত। এটি হিমালয় পর্বতমালার একটি পর্বতশৃঙ্গ। ভারতের উচ্চতম শৃঙ্গ ও বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৮,৫৮৬ মিটার (২৮,১৬৯ ফুট)। এটি
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে সুনামগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত টাঙ্গুয়ার হাওর যেন প্রকৃতির অনন্য জলরাজ্য। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত হাওরকে অনেকে বলেন বাংলাদেশের ছোট কাশ্মীর। বর্ষায় বিশাল জলরাশি আর শীতে হাজারো পরিযায়ী
>> বন্ধ হয়েছে হাতে চালানো তাঁতশিল্প >> সুনসান নীরবতা আশ্রমজুড়ে >> জীবনমান উন্নয়নে নানা প্রকল্প চালুর দাবি ফেনীর ফুলগাজীতে স্থাপিত ঐতিহাসিক গান্ধী আশ্রমটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের