টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার অদূরে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে অবস্থিত প্রকৃতির অপার দান দৃষ্টিনন্দন জলাশয় চারান বিল। বর্ষায় অথৈ পানি আর শুকনো মৌসুমে দিগন্তজুড়ে থাকে ধানের ক্ষেত। এটিই চিরচেনা চারান বিলের সৌন্দর্য। এই
কিছুদিন হলো পরীক্ষা শেষ হয়েছে। কোথায় যাবো সবাই মিলে ভাবছিলাম। পরীক্ষা দিয়ে ক্লান্ত বেশ। ইচ্ছা করছিল কোথাও যাই একটু। যেহেতু ডে লং ট্যুর দেবো। তাই শহর থেকে কিছুটা দূরে। সবার
মাগুরা সদর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সীতারাম রাজার বাড়িটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বাড়িটি সংস্কার এবং সংরক্ষণ করে অতীত ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। জেলার
চারপাশে ছড়িয়ে আছে সাদা কাশফুল, স্বচ্ছ পানি আর নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা—সব মিলিয়ে অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য। যা দেখলে মনের মধ্যে শান্তি মেলে। এ অপার সৌন্দর্যের মাঝে হারিয়ে যেতে প্রতিদিন
সাত সকালেই কবি সাজেদুর আবেদীনের ফোনে ঘুম ভাঙল। কথা শেষে চোখের পাতায় আর ঘুম নামলো না। কিছুক্ষণ এদিক-সেদিক গড়াগড়ি দিয়ে বিছানা ছাড়লাম। শৌচাগারের কাজ শেষে খাবার টেবিলে বসেছি। হালকা নাস্তা
পুরাতন ভবনগুলোতে লেগে আছে সুলতানি ও মুঘল আমলের নির্মাণশৈলীর ছাপ। যা জানান দিচ্ছে অন্তত ছয়শ বছরের পুরাকীর্তির অস্তিত্ব। এমনই এক দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান শরীয়তপুরের ধানুকা মনসাবাড়ি ও মন্দির। এটি
আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সাভান্না জুড়ে ছড়িয়ে আছে এক অনন্য জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাপন। তারা হলো মাসাই। কেনিয়া ও তানজানিয়ার গর্ব। এ জনগোষ্ঠী কেবল তাদের পোশাক-আশাক বা সাহসিকতার জন্য নয় বরং তাদের স্বতন্ত্র
দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১ অক্টোবর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট কেওক্রাডং পর্বত। তবে এখানে ভ্রমণ করতে এবার ৬টি শর্ত মানতে হবে পর্যটকদের। ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে
আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক বিশেষ উত্তেজনা নিয়ে। আফ্রিকা মহাদেশের হৃদয়ে, সেই চির পরিচিত অথচ অচেনা দেশ কেনিয়া নামটি কতবার যে শুনেছি জীবনে! কখনো মাসাই মারার সাফারির গল্পে, কখনো আবার
একপাশে উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড়। অন্যপাশে সাগর আর বহমান নদী। পাহাড়ে আছে অপরূপ অসংখ্য প্রাকৃতিক ঝরনা, কৃত্রিম লেক। পাহাড়ি সৌন্দর্য ঘেরা ২২ কিলোমিটার দৈর্ঘের এসব স্থান সবাইকে মুগ্ধ করে। আছে আঁকাবাঁকা