যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারির পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে নিজ দেশের না জড়ানোর বিষয়ে ওই মন্তব্য
কেনিয়ায় ভারী বৃষ্টি এবং বন্যায় এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ফলে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অব্যাহত থাকার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান। আইআরজিসির নিজস্ব ওয়েবসাইট
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে গণমাধ্যমের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। সরকারের অভিযোগ, কিছু সংবাদমাধ্যম যুদ্ধসংক্রান্ত প্রতিবেদনে ‘বিকৃত তথ্য’
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে ভয়াবহ অস্ত্র সংকটে পড়েছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘সেমাফোর’ এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ‘ইন্টারসেপ্টর’ বা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তেল
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। চলমান সংঘাতে এরই মধ্যে অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। ধ্বংস হয়েছে রাডার, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একঝাঁক প্লেন, যুদ্ধবিমান, এমনকি রণতরীও।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল-মার্কিন বাহিনী সম্পর্কে গোপন গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ইরানকে ‘কিছুটা’ সহায়তা করছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন
পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতেই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুমকি দেন তিনি। এদিকে, হেগসেথের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ইরানে মার্কিন স্থল সেনা পাঠানোর তেমন প্রয়োজন নেই, তবে সংঘাত আরও কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি