আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের সময় হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ করেছেন রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী
এক বছর আগেও ক্ষমতার চূড়ায় ছিলেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্র কিংবা রাজনীতি— সবই চলত তার হুকুমে। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। এরপর তার
চব্বিশের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে যখন পুলিশ নির্বিচারে মানুষ মারছিল, তখন দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়
জুলাই-আগস্টে গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরকে তৃতীয় দিনের মতো আজও জেরা করবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে
অনলাইন কার্যতালিকার ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হলেও দেশের জেলা আদালতগুলোতে তা প্রতিদিন হালনাগাদ হচ্ছে না। এমন প্রেক্ষাপটে বিচারব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারিক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে অনলাইন কজলিস্ট সিস্টেম (কার্যতালিকা ব্যবস্থা) নিয়মিত
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর চাঁনখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে নবম দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে আজ। রোববার
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজির মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দুইদিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেন
শেখ হাসিনা তার শাসনামলে ১৫ বছর ধরে জঙ্গি নাটক, জোরপূর্বক অপহরণ ও পাতানো নির্বাচনসহ যা কিছু করেছেন, তার মূলে ছিল ক্ষমতায় টিকে থাকা, এমন বক্তব্য দিয়েছেন হাসিনার গণহত্যা মামলার তদন্ত
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ওই সময় সারাদেশে তিন লাখ পাঁচ হাজার ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়েছিল পুলিশ।