1. admin@businessdigestbd.com : admin :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঘরেই তৈরি করুন খাসির পায়া, সঙ্গে থাকুক চালের রুটি বাংলাদেশের যে ধারাবাহিকে মজেছেন কলকাতার দর্শকরাও হাসান মাহমুদের ৬ উইকেট, ৩৫৬ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন, জানা যাবে আগামী রোববার ছুটির দিনেও সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে, নেই অস্থিরতার ছাপ আগাম শীতের সবজিতে বাজারে কিছুটা স্বস্তি, রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ ছাত্রীকে নিয়ে প্রাইভেট শিক্ষক উধাও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে চায় বাংলাদেশ – রাশিয়া নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৩৩ জেলায় ৮২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভোক্তা অধিকারের

ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন, জানা যাবে আগামী রোববার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো পক্ষ। পার্লামেন্টের অধিকাংশ সদস্য আবার প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।

তবু সরকার গঠনের পথ নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা আগামী রোববার ঘোষণা করবেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ।

গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে দুই দিনের আলোচনা শেষে এ কথা জানান প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। আলোচনায় ১২০ সদস্যের পার্লামেন্টের ৬৭ জন গাদি আইজেনকটের পক্ষে এবং ৪৬ জন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।

টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে হারজগ বলেন, আলোচনার ফলাফল দেখে পরিস্থিতি স্পষ্ট মনে হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ রয়েছে।

শুধু দুই জোটের মধ্যেই নয়, জোটগুলোর ভেতরেও মতবিরোধ আছে। ফলে, কে সরকার গঠনের সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

এদিকে, শুক্রবার ও আগামী শনিবারও বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন হারজগ। এসব আলোচনার পর আগামী রোববার সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন তিনি।

ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনে কোনো দল বা জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি ২৭টি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। তবে, তার নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুবিরোধী চারটি মধ্য-বাম থেকে ডানপন্থি দলের জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আর আরব সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি দল পেয়েছে মোট ১৯টি আসন।

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আলোচনায় গাদি আইজেনকটের পক্ষে সমর্থন বেড়েছে। শুরুতে তার পক্ষে ৪৮ জন পার্লামেন্ট সদস্যের সমর্থন থাকলেও পরে তা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়ায়।

আরব দল রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টের সমর্থন পাওয়ায় এই সংখ্যা বেড়েছে। ফলে, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পেয়েছেন আইজেনকট।

তবে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পেলেও আইজেনকটের সরকার গঠন এখনো নিশ্চিত নয়। কারণ, তার জোটে যোগ দিতে হলে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিন্দা জানানো।

এ শর্ত নিয়েই জোটের সম্ভাব্য শরিকদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে আলোচনায় হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিতে রাজি হননি আরব দল রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাস।

পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি এ অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল। ফলে, আইজেনকটের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন থাকলেও সরকার গঠনের পথে রাজনৈতিক জটিলতা কাটেনি।

এদিকে, ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির আসনসংখ্যা সাত। দলটির নেতা আভিগদর লিবারম্যান আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী করার পক্ষে সমর্থন জানালেও আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকারে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

তবে, তিনি অবস্থান পরিবর্তন করলে এবং অতি অর্থোডক্স দল ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজম ও শাসকে সঙ্গে নিতে পারলে আইজেনকটের জোটের আসনসংখ্যা ৬১-তে পৌঁছাবে। এই দুই দলের আসন যথাক্রমে সাত ও ছয়টি।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট চাইলে নেতানিয়াহু ও আইজেনকটকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের উদ্যোগও নিতে পারেন। নেতানিয়াহুও গত বুধবার এক বিবৃতিতে লিকুদ পার্টির নেতৃত্বে একটি বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ জন্য আইজেনকটসহ সব ইহুদিবাদী দলকে তার সঙ্গে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান তিনি।

প্রেসিডেন্টের মনোনয়ন পাওয়ার পর সরকার গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে এ সময় আরও ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে।

নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে আবার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর