1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

তিস্তার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে দুই শতাধিক পরিবার

জেলা প্রতিনিধি | কুড়িগ্রাম |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বসুনিয়াপাড়ার প্রায় দুইশতাধিক বাড়িঘর।

জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের গত ২০ দিনে ব্যবধানে বসুনিয়াপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এতে অনেকেই খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। হুমকির মুখে রয়েছে আরও দুইশতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার ফসলি জমি।

দলদলিয়া ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া এলাকায় আবু বক্কর (৬৫) বলেন, বাড়িঘর সাতবার ভাঙনের পর আবারেও নদী বাড়িঘর ভাঙলো এখন কই যাবো যাওয়ার মতো জায়গা নাই। বউ-মেয়েকে নিয়ে খুব বিপদে আছি, টাকাও নাই কেমন করি সংসার চালাবো।

মহুবর রহমান (৬৫) বলেন, গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায়বাসীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে বরাদ্দ নেই”। আমরা এখন কোথায় যাবো। সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের নদীতে যেন বাঁধ দেয়, তা না হলে এই গ্রামটা বিলীন হওয়া যাবে।

সখিনা বেওয়া (৯০) ও আনোয়ারা বেওয়া (৫০) বলেন, ‘হামার বাড়ি ভাঙি যায়া মানুষের জায়গাত আছি খুব কষ্ট দিন যাপন করছি, সরকার যদি আমার দেখি দেখিল হয় তাহলে ভালো হইলো হয়।’

আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, দুই পাশে বস্তা দেওয়া আছে মাঝখানে প্রায় ১ কিলোমিটার বস্তা ফেলা নাই। যেভাবে নদী ভাঙছে, কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তিস্তার ভাঙনে সর্বশান্ত হয়ে অনেকই ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছে।

উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জিও ব্যাগ শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর