1. admin@businessdigestbd.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল • বাংলাদেশে শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত ইহুদিরা ব্যাপক হারে ভোট দিয়েছিল, জানালেন ট্রাম্প শ্রমিক অসন্তোষ আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আহত তৌফিকের মৃত্যু ঘুস নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা খেলো সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলাম, কারাগারে প্রেরণ আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ! পল্লবীতে ককটেল বিস্ফোরণে কুরিয়ার সার্ভিসের এক কর্মী দগ্ধ বিশ্বকাপ থেকে এসে ২৫ লাখ টাকা পেলেন ফুটবলাররা পাসের চেয়ে আসন বেশি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাঁকা থাকবে সাড়ে ৮ লাখ আসন নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ সুমি ইসলামের গুচ্ছ কবিতা • কত কথা বলেছিলে আমার দুহাত ধরে

‘তেল আছে, তারপরও নিয়ে রাখছি যদি পরে না পাওয়া যায়’

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালি। এতে জ্বালানি সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিশ্বের অনেক দেশ। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। পরে আর তেল পাওয়া যাবে না এমন শঙ্কায় অনেকে তেল কিনতে গাড়ি নিয়ে ভিড় করছেন পাম্পগুলোতে। এতে যেমন গাড়ির দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে, আবার কোনো কোনো পাম্প বন্ধও দেখা গেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টার পর রাজধানী ঢাকার কয়েকটি পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে ঢাকার নীলক্ষেতের দুটি পাম্প বন্ধ থাকতে দেখা যায়। পাম্পের কোনো কর্মচারীকেও পাওয়া যায়নি। রশি টানিয়ে পাম্পের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আবার শাহবাগের পাশেই পরীবাগের তেল পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

পাম্পে তেল নিতে আসা গাড়ির মধ্যে প্রাইভেটকার আর মোটরসাইকেলই বেশি। মোটরসাইকেল চালকদের ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে।

মোটরসাইকেল চালক জোবায়ের বলেন, বাইকের তেল শেষের দিকে। গতকাল একবার এসে লাইন দেখে ফিরে গেছি। আজ তেল না নিলে কাল বাইক চালাতে পারবো না। যতই সময় লাগুক তেল নিয়ে যেতেই হবে।

আরেক চালক রাফসান বলেন, তেল আছে, তারপরও নিয়ে রাখছি। যদি পরে না পাওয়া যায় বাইক নিয়ে মুভ করতে পারবো না। এজন্যই তেল নিতে এসেছি।

পাম্পের কর্মচারীরা জানান, গতকাল থেকে ভিড় কয়েকগুণ বেড়েছে। এত যানবাহন আসছে যে এক মিনিটও দাঁড়ানোর সময় পাচ্ছেন না তারা।

এদিকে শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এক বার্তায় যানবাহনে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম বেঁধে দিয়েছে৷ সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নিতে পারবে।

এর আগে বিকেলে পরীবাগের পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যে সংশয়টি জনগণের তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না, কারণ একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ফলে একটা দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।আমাদের কাছে যথেষ্ট মজুত আছে।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে আমরা কয়েকগুণ বেশি তেল সাপ্লাই দিয়েছি। ক্রেতারা স্বীকার করেছেন, তারা বেশি করে তেল নিচ্ছেন। এই আতঙ্ক দূর করতে হবে। সবাইকে বলতে চাই, জনগণের দুর্ভোগ কমানোর জন্য সরকার যথেষ্ট সচেষ্ট।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিকভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এটি একটা চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা চেষ্টা করবো দাম না বাড়াতে। তবে একান্তই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে আমরা তা শেয়ার করবো।পাশাপাশি আমরা দেশবাসীর সমর্থন কামনা করছি।

এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ তেলের পাম্প পরিদর্শন করেছেন। প্রয়োজনের বেশি তেল না কিনতে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তবে দেশের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনোরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর