1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সরবরাহ কম, অস্থির সবজির বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৯ বার পঠিত

শীত মৌসুম প্রায় শেষ দিকে চলে আসায় রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে। সরবরাহ সংকটের কারণে মৌসুমের শেষ সময়ে এসে সবজির বাজারে কিছুটা অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা পাঁচতলা কাঁচাবাজার ও মধ্য বাড্ডা কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে বাজারের এই চিত্র জানা গেছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কম। তবে বেড়েছে সিমের দাম; গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া সিম আজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। শসার দামও বাড়তি। দুই দিন আগে যে শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া যেত, আজ তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

এ ছাড়া অন্যান্য সবজির মধ্যে প্রতি কেজি মুলা ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শালগম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, উস্তে ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ টাকা, আলু ২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা এবং ধনেপাতা ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি প্রতিটি ৪০ টাকা এবং ফুলকপি গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা এবং লাল শাক ও পালংশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

পাঁচতলা কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শীতের মৌসুম শেষ দিকে হওয়ায় পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমেছে। এ কারণে কিছু সবজির দাম গত কয়েক দিনের তুলনায় বাড়তি। সামনে রোজা আসছে, তখন দাম আরও বাড়তে পারে।’

বাজার করতে আসা ক্রেতা মো. সিদ্দিক আক্ষেপ করে বলেন, ‘শীতের সময় সাধারণত সবজির দাম অনেক কম থাকে। কিন্তু এবার মৌসুমের শুরু থেকেই দাম চড়া ছিল। এখন আবার রোজার দোহাই দিয়ে দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। আকার অনুযায়ী প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল মাছ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা এবং কার্প মাছ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাঙ্গাশ ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের চড়া দাম নিয়ে ক্রেতা মো. ইসমাইল বলেন, ‘মাছের বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই হাত দেওয়া যাচ্ছে না। দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই।’ তবে মাছ বিক্রেতা সুমন দাসের দাবি, দাম এখন তুলনামূলক কম আছে, রোজায় এটি আরও বাড়তে পারে।

মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং কক মুরগি ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর