1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে বড় দুই পরিবর্তন আনতে পারে এআই

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৩৪ বার পঠিত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বর্তমানে প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা, সফটওয়্যার উন্নয়ন এমনকি দৈনন্দিন জীবনেও এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।

তবে এই প্রযুক্তির বিস্তার যত দ্রুত ঘটছে, ততই সামনে আসছে এর পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে নানা উদ্বেগ। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এআইয়ের ব্যাপক ব্যবহার বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও পানির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এআই-নির্ভর ডাটা সেন্টারগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবহার বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। এতে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের উল্লেখযোগ্য অংশ এআই অবকাঠামোর পেছনে ব্যয় হবে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

শুধু বিদ্যুৎ নয়, এআই পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভার ও ডাটা সেন্টার ঠান্ডা রাখতে বিপুল পরিমাণ পানিরও প্রয়োজন হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এআই অবকাঠামোর শীতলীকরণ ব্যবস্থায় এমন পরিমাণ পানি ব্যবহার হতে পারে, যা বিশ্বের বহু অঞ্চলের পানীয় জলের চাহিদার সঙ্গে প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। বিশেষ করে যেসব দেশে এরই মধ্যেই পানি সংকট রয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন, যা ‘জেভন্স প্যারাডক্স’ নামে পরিচিত। এর মূল বক্তব্য হলো, কোনো প্রযুক্তি যত বেশি দক্ষ ও সাশ্রয়ী হয়, মানুষ তত বেশি সেটি ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে দক্ষতা বৃদ্ধির কারণে সম্পদ সাশ্রয় হওয়ার পরিবর্তে মোট ব্যবহার উল্টো বেড়ে যেতে পারে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যেতে পারে। প্রযুক্তিটি আরও সহজলভ্য ও কম খরচের হয়ে উঠলে এর ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে শক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপও বাড়বে।

বর্তমানে বিশ্বের বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-নির্ভর ডাটা সেন্টার সম্প্রসারণে বিপুল বিনিয়োগ করছে। গবেষকদের মতে, এই অবকাঠামোর সম্প্রসারণের ফলে আগামী দশকে কার্বন নিঃসরণ মোকাবিলায় ব্যাপক পরিবেশগত উদ্যোগ প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে আরও বেশি জমি, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার প্রয়োজন দেখা দেবে।

প্রতিবেদনটি আরেকটি বিষয়েও সতর্ক করেছে। এআই অবকাঠামোর বড় অংশ বর্তমানে অল্প কয়েকটি দেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে প্রযুক্তিগত সুবিধা ও সম্পদের বণ্টনে বৈষম্য বাড়তে পারে। উন্নত দেশগুলো এআই-এর সুবিধা বেশি পেলেও উন্নয়নশীল দেশগুলো পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এআই নিজে কোনো সমস্যা নয়; বরং এর দায়িত্বশীল ব্যবহারই মূল বিষয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শক্তি-সাশ্রয়ী ডাটা সেন্টার নির্মাণ এবং টেকসই প্রযুক্তি নীতি গ্রহণ করা গেলে এআই-এর সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি পরিবেশগত ক্ষতিও অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন

চ্যাটজিপিটিকে সব বলছেন? সতর্ক না হলেই বিপদ

চ্যাটজিপিটিতে আসছে ‘লকডাউন মোড’, কী কাজে লাগবে
সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন, ইউনাইটেড ন্যাশন বিশ্ববিদ্যালয়

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর