1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

রড-সিমেন্ট ছাড়াই ৭০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে মোল্লাবাড়ি মসজিদ

জেলা প্রতিনিধি | ময়মনসিংহ |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বহু প্রাচীন স্থাপনা। তেমনই এক স্থাপনা ময়মনসিংহের ভালুকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ। আধুনিক নির্মাণ সামগ্রী রড ও সিমেন্ট ব্যবহার ছাড়াই প্রায় ৭০ বছর ধরে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি। তিনটি গম্বুজ ও চার কোনায় চারটি মিনার নিয়ে নির্মিত মসজিদটি এখনও এলাকাবাসীর কাছে ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জানা যায়, বাংলা ১৩৬০ সালে ভালুকা উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের তামাট গ্রামের বাসিন্দা ফজর আলী মোল্লা নিজ উদ্যোগে মসজিদটি নির্মাণ করেন। নির্মাণের সময় তিনি মসজিদের নামে ১৭ একর জমি ওয়াকফ করে দেন। বর্তমানে মসজিদের নামে প্রায় ১৪ একর জমি রয়েছে, আর বাকি ৩ একর জমি সরকারি খাস জমি হিসেবে রয়েছে।

মসজিদের মোতাওয়াল্লী মালেক মোল্লা জানান, তার বাবা ফজর আলী মোল্লা মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সে সময় এলাকায় ইট ও বালুর তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই স্থানীয়ভাবে নিজেরাই বাংলা ইটভাটা তৈরি করে মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করতেন।

তিনি আরও জানান, পরে পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলা থেকে দক্ষ কারিগর এনে রড-সিমেন্টের পরিবর্তে চুনা ও সুরকি দিয়ে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইট এনে ধীরে ধীরে সম্পন্ন করা হয় মসজিদটির নির্মাণ কাজ।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, মসজিদটা আমার জন্মের আরও আগের। এটি শুধু একটি মসজিদ না, আমাদের এলাকার একটি ঐতিহ্য। বহু বছর ধরে মানুষ এখানে নামাজ আদায় করছে। সরকার যদি এটি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এই ঐতিহ্য দেখতে পারবে।

আরেক বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, রড-সিমেন্ট ছাড়া এত বছর ধরে একটি স্থাপনা টিকে থাকা সত্যিই বিস্ময়কর। এই মসজিদটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের দাবি, যথাযথ সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে প্রাচীন এই স্থাপনাটি যুগের পর যুগ টিকে থাকবে এবং এলাকার ঐতিহ্য বহন করে যাবে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর