মনকে জীবন্ত করার জন্য সবচেয়ে উত্তম ও সঠিক উপায় হলো ভ্রমণ বা ঘুরতে যাওয়া। ঘুরতে যাওয়ার মাধ্যমে মনকে সতেজ ও প্রাণবন্ত করা যায়। একঘেয়েমি ও ব্যস্তময় জীবনের জন্য বেড়াতে যাওয়া
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার নাম শুনলেই সবুজ প্রকৃতির কথা মনে পড়ে। যেখানে বর্ষায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ও শীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। হাওর-বিল বেষ্টিত অঞ্চলে ছোট ছোট টিলা, পাহাড়, সমতল
পাহাড় বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে ঝরনা। পাশেই আঁকাবাঁকা হ্রদ। কয়েক কিলোমিটার দূরে সমুদ্রসৈকত ঘেঁষে ছোটাছুটি করছে নৌকা। মাঝে মাঝে দেখা মেলে মায়া হরিণ, শেয়াল ও বন মোরগের। এমন দৃশ্যের দেখা মেলে
নদীর অবনতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীবাশ্ম জ্বালানির বিস্তারের প্রতিবাদে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকা থেকে বঙ্গোপসাগরে হেঁটে যাবেন মাসফিকুল হাসান টনি। এ অভিযানে নদীর তীর ধরে তিনি পাড়ি দেবেন ৬০০ কিলোমিটার পথ।
ভ্রমণ মানেই কোনো ভ্রমণকেন্দ্রে যাওয়া—ধারণাটি কচ্ছপিয়া খালের ধারে এসে ভেঙে যাবে। খুব বেশি পথ পেরোতে হয় না, কোনো নামকরা পর্যটন স্পটও নয়। তবুও কচ্ছপিয়া খাল পেরোনোর পরই যে মেঘনার রূপ
ট্রানজিটের দশ ঘণ্টায় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট, মাইন নদীর তীরে হঠাৎ পাওয়া শহরভ্রমণ, ইতিহাস আধুনিকতার মেলবন্ধন, ছোট ভাই মারুফের সঙ্গ, নীরব গির্জা, সেতু, মেলা আর স্মৃতিতে গাঁথা এক অনন্য অভিজ্ঞতা ভ্রমণকথার রঙিন
ব্রিটিশ আমলে এ দেশে জমিদারি প্রথা ছিল। তখন জমিদারদের প্রচণ্ড প্রতাপ ছিল। এখন সেই প্রথা নেই কিন্তু আছে তাদের নির্মাণ করা পরিত্যক্ত স্মৃতিচিহ্ন। প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো স্থাপনাটি অযত্ন, অবহেলা
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলায় পদ্মার শাখা নদী। তার পারে বিস্তীর্ণ এলাকায় শত বিঘা জমিতে চাষ হয়েছে সরিষা। সরিষা ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। কাটাচ্ছেন প্রিয়জনসহ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে প্রিয়
কাপ্তাই হ্রদ শুধু একটি জলাধার নয়, এটি সবুজ পাহাড়ের বুকজুড়ে লেখা এক জীবন্ত গল্প। ভোরের মিষ্টি আলো, নীল জলের শান্ত ঢেউ আর সবুজ পাহাড়ের কোলে এখানে প্রতিদিন জন্ম নেয় মানুষের
সুলতানি আমলে নির্মিত হয়েছে বাবা আদম শহীদ (রহ.) মসজিদ। এটি ঢাকার অদূরে মুন্সিগঞ্জের রামপালের দরগাবাড়িতে অবস্থিত। ১৪৮৩ সালে সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামলে বিক্রমপুরের শাসক মালিক কাফুর মসজিদটি নির্মাণ করেন।