ফিরোজ শাহ কোটলা বর্তমানে একদম ধ্বংসের প্রান্তে। এখানে পর্যটক খুব কম যাতায়াত করেন। আমি কোটলায় ঢুকে ভাঙা অংশ দেখতেই নিরাপত্তারক্ষীদের একজন বললেন, ‘ভেতরে আরও দেখার বাকি আছে।’ সামনে এগোতেই বামদিকে
মিরসরাইয়ের অন্যতম প্রাকৃতিক পাহাড়ি ঝরনা বোয়ালিয়া। ভ্রমণপিপাসুদের এখানে বেড়ানোর এখন উপযুক্ত সময়। উপজেলার অন্য ঝরনার তুলনায় বোয়ালিয়ার কিছুটা ভিন্নতা আছে। এর আকৃতি অনেকটা ব্যাঙের ছাতা ও বোয়াল মাছের মাথার মতো।
বন্ধুরা মিলে হিসেব করলাম প্রায় ৩০০ দিন হয়ে যাচ্ছে, একসাথে ভ্রমণ করা হয়নি। আড্ডায় সিদ্ধান্ত নিলাম এবার কমিটমেন্ট রক্ষা করে সবাই ভ্রমণ করতে যাবো। সবাই আলোচনা করে তারিখটাও ঠিক করে
কোথাও শ্যাওলা জমেছে। কোথাও ভেঙে পড়েছে প্রাচীরের অংশ। চারদিকে জন্মেছে আগাছা। এভাবে অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়েছে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক নয় গম্বুজ মসজিদ। দ্রুত সংস্কার করা না হলে মসজিদটি অচিরেই ধ্বংসাবশেষে রূপান্তরিত
বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ি রয়েছে তাদের মধ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি অন্যতম। ইতিহাসের সঙ্গে কালের সাক্ষী হয়ে ২শ’ বছর ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে এ জমিদার বাড়িটি। জানা যায়, পন্নী পরিবারের সন্তান
খবরটা পৌঁছাল এক বিকেলে। মোগল সুবেদার শায়েস্তা খাঁর মেয়ে পরিবিবি আর নেই। দুর্গের অর্ধেক-গড়া প্রাচীরে তখনো রাজমিস্ত্রিদের হাতুড়ির শব্দ। কিন্তু সেই সন্ধ্যায়ই শব্দটা থেমে গেল। হারিয়ে গেল চিরচেনা ছন্দ। একটা
টরন্টো শহরের সঙ্গে আমার পরিচয় যত গভীর হচ্ছে; ততই আবিষ্কার করছি নগরীর আরেকটি শান্ত, স্নিগ্ধ ও সবুজ মুখ। বাইরে থেকে দেখলে টরন্টোকে মনে হয় আধুনিকতার প্রতীক। উঁচু ভবন, ব্যস্ত সড়ক,
বৃষ্টি ভেজা শেরপুরের গারো পাহাড় অপরূপ রূপে সেজেছে। পাহাড় দেখতে কে না পছন্দ করেন, মাঝেমধ্যেই আপনার মনকে পাহাড় ডাকে বুঝি? ভেবে দেখুন তো এই পাহাড় আর বৃষ্টি যদি একসঙ্গে থাকে?
দক্ষিণ বাংলার দিকে যেতে যেতে একসময় মনে হয়, রাস্তা যেন ধীরে ধীরে পানির কাছে আত্মসমর্পণ করছে। সবুজের মাঝখানে হঠাৎ খুলে যায় বিশাল জলরেখা। দূর থেকে দেখে মনে হয় সমুদ্রের কোনো
ঢাকা কেবল মিনার আর মসলিনের শহর নয়। এ শহর মূলত সুফি-সাধক আর আউলিয়াদের পদধূলিতে ধন্য এক আধ্যাত্মিক জনপদ। বুড়িগঙ্গার তীরে যখন নগরায়ন শুরু হয়নি। যখন বনাঞ্চল আর জলাভূমির রাজত্ব ছিল