মানবসভ্যতার ইতিহাসে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যে স্থানে এসে দাঁড়িয়েছে, তার পেছনে মুসলমান বিজ্ঞানীদের অবদান অপরিসীম। কোরআনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অনুপ্রেরণায় মুসলমানরা বিজ্ঞানের সব শাখায় জ্ঞানচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন এবং এক অনন্য স্বর্ণযুগের
ডিম কমবেশি সবারই প্রিয়। ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক বেশি। তাইতো ডিমকে প্রোটিন ও পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউস বলা হয়। ডিমের এসব উপকারিতা ভেবে ডিম খান। আবার অনেকে ডিম নিয়ে
এক সময় লাল রঙের একটি ডাকবাক্স ছিল শহর কিংবা গ্রামের অলিগলির পরিচিত দৃশ্য। প্রতিদিন কেউ না কেউ এসে চিঠি ফেলতেন সেই ডাকবাক্সে, আর অপেক্ষা করতেন উত্তরের। সেসব চিঠি পৌঁছে যেত
ছোট্ট রিশান হাত ধরে বাবার সঙ্গে ঢুকেছে চিড়িয়াখানায়। কৌতূহলী চোখে চারপাশ দেখছে সে। খাঁচার ভেতর এক কোণে বসে আছে এক বানর। চুপচাপ, একেবারে নীরব। রিশান বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু পাশে
গাজায় অবৈধ অবরোধ ভাঙতে অর্ধশতাধিক নৌকা গাজার দিকে যাচ্ছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে মুক্ত এক গাজার। তবে তা কতটা সফল হতে পারবে দখলদার ইসরায়েলদের কারণে তা সময়ের অপেক্ষা। এরই মধ্যে ইসরায়েলি
বয়স বাড়লে অনেকেই ভাবেন, মানুষের সক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। শরীরের শক্তি কমে আসে, হাঁটার গতি ধীর হয়, নানা অসুখ-বিসুখ ঘিরে ধরে। তরুণরা অনেকেই তখন মনে করেন প্রবীণরা কেবলই সংসারের
গ্রামবাংলার ঐতিহ্য মাটির খেলনা। একসময় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ের কুমারপল্লিগুলো থাকতো আনন্দ ও কর্মচাঞ্চল্যে ভরা। কিন্তু আধুনিকতার চাপে সেই শিল্প আজ হারাচ্ছে আলো। উৎসবের দিনে যেখানে থাকার কথা ছিল কর্মব্যস্ততা; সেখানে
সভ্যতার ইতিহাস আসলে মানুষের উত্থান-পতনের ইতিহাস। প্রাচীন যুগে বহু নগর গড়ে উঠেছিল শিল্প, স্থাপত্য আর জ্ঞানের উৎকর্ষে। কিন্তু সময়ের স্রোতে সেই শহরগুলোর কিছু হারিয়ে গেছে, কিছু ভেঙে পড়েছে, কিছু আবার
ইতালীয় বিলাসবহুল স্পোর্টসকার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ল্যাম্বরগিনি। বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ও জনপ্রিয় স্পোর্টকার এটি। সেই ল্যাম্বরগিনি অ্যাভেন্টেডর আদলে স্পিডবোট বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রাহাদ নামের এক স্কুল ছাত্র। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার
টিন সার্টিফিকেট বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর সার্টিফিকেট, একটি ইউনিক নম্বর। টিন একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ যা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়কর দাখিলের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি করদাতার একটি পরিচিতি হিসেবে কাজ করে