হলুদের ছোঁয়া, বরযাত্রার আগমন সবকিছু মিলিয়ে শীতের বিয়ে বাংলাদেশে আলাদা আনন্দময় উৎসব শীত নামলেই আমাদের সমাজে বিয়ের মৌসুম যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। গাঁয়ের মেঠোপথ থেকে শহরের ঝলমলে কমিউনিটি
গত রাতের আগুন যেন কড়াইল বস্তিবাসীর জীবনে ঝড়ে আঘাত হানা এক অদৃশ্য দানব। মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শত শত মানুষের তিলে তিলে গড়া সংসার। যে ঘরগুলোতে ছিল জীবনের
সমস্ত দেশের বোঝা ঢাকা শহরের কাঁধে। জলবায়ু উদ্বাস্তু, নদীভাঙনের শিকার আর রুজি-রোজগারের সন্ধানে সারা বাংলাদেশ থেকে লোকজন উপচে পড়ছে ঢাকা শহরে। নাজুক ভৌগোলিক অবস্থানের এই ছোট দেশটি নিত্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ,
নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে মাঠের ধান কাটার ধুম পড়েছে। নতুন ধান কেটে তা বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। উৎসবের আমেজ শুধু মাঠে নয় কৃষাণীর উঠোন, রান্নাঘরজুড়ে। পিঠা-পুলির আয়োজনে ব্যস্ত
ঢাকার এক প্রান্তে, আব্দুল্লাহপুরের তুরাগ নদীর পাড়ে যখন সূর্য ডুবে যায় তখন শহরের আলো নিভে না, নৌকায় একের পর এক বাতি জ্বলে ওঠে। সেই আলোয় দেখা যায় ভেসে থাকা জীবনের
একসময় বিয়ের উপহার মানেই ছিল কাঁসা-পিতলের থালা, বাটি, কলসি কিংবা ঘটি। নতুন বউয়ের গায়ে হলুদের সানাই বাজলে, ঘরের প্রবীণ নারীরা যত্ন করে আলমারি খুলে বের করতেন সেই সোনালি ঝিলিকমাখা তৈজসপত্রগুলো।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার বিস্তীর্ণ বিলজুড়ে যেন লালিমার উৎসব। ভোরের নরম সূর্যালোক পানির গায়ে পড়তেই ফুটে ওঠে অসংখ্য লাল শাপলা। মুহূর্তেই বদলে যায় পুরো বিলের চেহারা। মনে হয়, যেন প্রকৃতি
মালাই চা কিংবা কাজুবাদাম চা, কোন পদের চা নেই এখানে! দৈনিক বিক্রি প্রায় ১ হাজার দুশো কাপ। পুরান ঢাকার চা-প্রেমীরা তাই বলেন, ‘একবার আলমের চা খাইলে, অন্য চা পাইনসা লাগে।’
রিনা (ছদ্মনাম) কাজ করেন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায়। দিনভর মেশিনের শব্দ, টার্গেটের চাপ, ঘাম আর ক্লান্তির মধ্যেই তার দিন চলে যায়। কিন্তু একদিন ম্যানেজারের অশোভন আচরণে তার পৃথিবীটা হঠাৎ থমকে
ভোরের সূর্য ফোটার আগেই যে নারী উঠোন ঝাড়ে, গরুকে খাওয়ায়, চুলায় ভাত চাপায়-সেই নারীর মাঝেই লুকিয়ে আছে এই দেশের গ্রামীণ জীবনের প্রাণ। দিনের শুরুতেই যখন গ্রামের সব কাজ শুরু হয়,