1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

দুর্গাপূজার লম্বা ছুটিতে ঘুরতে পারেন খাগড়াছড়ির যেসব পর্যটনকেন্দ্র

ভ্রমণ ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সপ্তাহব্যাপী ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এই টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে নতুন রূপে সাজতে শুরু করেছে পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলো। পাশাপাশি পর্যটকদের ব্যাপক সমাগমের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে জেলার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটক বরণে প্রস্তুত হয়ে উঠেছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর খাগড়াছড়ির পাহাড়, অরণ্য, ঝিরি ঝরনা ও উপত্যকা সারাবছরই ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে। পূজার ছুটিতে বিশেষভাবে জমে উঠতে পারে জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো। যেমন- আলুটিলা গুহা, জেলা পরিষদ পার্কের ঝুলন্ত ব্রিজ, জিপ লাইন, মায়াবিনী লেক, তারেং ও রিছাং ঝরনাসহ বিভিন্ন স্পট।

পূজাকে সামনে রেখে এরই মধ্যে অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্রে সংস্কার ও মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত আছেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের দায়িত্বরত চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা বলেন, ‘এখন পর্যটন মৌসুম, তার মধ্যে পূজা উপলক্ষে টানা ছুটি। এতে পর্যটকের চাপ বাড়তে পারে। তবে আমরা পর্যটন বরণে প্রস্তুত আছি।

খাগড়াছড়ি অবকাশ আবাসিক হোটেলের মালিক মীর হোসাইন বলেন, ‘খাগড়াছড়ির প্রত্যেকটি হোটেল-মোটেল পর্যটন বরণে এরই মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পূজার ছুটিতে পর্যটকদের সেবা দিতে জেলার প্রায় ৫০টি হোটেল-রিসোর্ট প্রস্তুত আছে।’

হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, ‘খাগড়াছড়ির প্রত্যেকটি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট অত্যন্ত পর্যটকবান্ধব। খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পর্যটকদের সেবা দিয়ে থাকে। পূজার লম্বা ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসতে পারেন পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি।’

পর্যটনখাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, দীর্ঘ ছুটিকে ঘিরে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল বুকিং শুরু হয়ে গেছে। জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কের তত্ত্বাবধায়ক কান্ত ত্রিপুরা বলেন, ‘আমরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের এখানে নতুন ভাবে যুক্ত হয়েছে জিপলাইন এবং জায়ান্ট সুইমিং। তাছাড়া শিশুদের বাড়তি বিনোদনের জন্য কিডস জোন নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।’

পূজার লম্বা ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে যেতে পারেন পাহাড়ের সেরা ৬টি পর্যটনকেন্দ্র:

আলুটিলা গুহা:
প্রায় ৩৫০ ফুট দীর্ঘ এই প্রাকৃতিক গুহা খাগড়াছড়ির অন্যতম আকর্ষণ। ভেতরে প্রবেশ করতে টর্চ প্রয়োজন হয়, যা অ্যাডভেঞ্চারের অনুভূতি বাড়িয়ে দেয় যে কোনো পর্যটকের।

রিছাং ঝরনা:
শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ঝরনা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ জায়গা। তবে সাঁতার না জেনে পানিতে নামার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

সাজেক ভ্যালি:
মেঘ, পাহাড় ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত সাজেক ভ্যালি ভ্রমণকারীদের অন্যতম পছন্দ। প্রকৃতিপ্রেমী যে কোনো মানুষের প্রধান আকর্ষণ এটি।

মায়াবিনী লেক:
স্বচ্ছ জলরাশি ও সবুজ পাহাড়ঘেরা এই লেক পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য উপযুক্ত।

শান্তিপুর অরণ্য কুটির:
প্রায় ৬৫ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই বৌদ্ধ তীর্থস্থান শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত।

হর্টিকালচার পার্ক:
এখানে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে জিপলাইন এবং জায়ান্ট সুইমিং। তাছাড়া শিশুদের বাড়তি বিনোদনের জন্য কিডস জোন নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

ছুটিতে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে চাইলে খাগড়াছড়ি হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। পাহাড়, ঝরনা, মেঘ আর সবুজের সমারোহ এই জেলা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দিতে প্রস্তুত।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর