1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি

মারা গেছেন থাইল্যান্ডের রাজকুমারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৮১ বার পঠিত

থাইল্যান্ডের রাজকুমারী বাজরাকিতিয়াভা তিন বছরেরও বেশি সময় কোমায় থাকার পর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।

শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে থাই রাজপ্রাসাদ জানায়, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে নিজের পোষা কুকুরদের নিয়ে ব্যায়াম করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজকুমারী বাজরাকিতিয়াভা। পরে চিকিৎসকেরা জানান, হৃদযন্ত্রে মাইকোপ্লাজমা সংক্রমণের কারণে তার হৃদস্পন্দন মারাত্মকভাবে অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং তিনি কোমায় চলে যান।

রাজপ্রাসাদের বিবৃতিতে বলা হয়, চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ ও নিবিড় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছিল। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে।

রাজকুমারী বাজরাকিতিয়াভা ছিলেন থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন-এর সাত সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। তিনি ১৯৭৮ সালের ৭ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার মা ছিলেন রাজার প্রথম স্ত্রী ও চাচাতো বোন।

তার মৃত্যুতে থাই রাজপরিবার তাদের সবচেয়ে দক্ষ ও জনসম্মুখে সক্রিয় সদস্যদের একজনকে হারাল। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

পড়াশোনা শেষে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে থাইল্যান্ডের মিশনে কিছু সময় দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেশে ফিরে ব্যাংককসহ বিভিন্ন স্থানে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কাজ করেন।

আইন, কূটনীতি ও জনসেবায় তার সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি থাইল্যান্ডের রাজপরিবারের অন্যতম সম্মানিত সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর