1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

অন্ধকারে ফোন ব্যবহার করলে কী হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত

অনেকেই ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ফোন ব্যবহার করেন। এটি বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, অন্ধকার ঘরে অল্প সময়ের জন্য হলেও স্মার্টফোন ব্যবহার করলে তা আপনার দৃষ্টিশক্তির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, সম্পূর্ণ অন্ধকারে মাত্র ১৫ মিনিট উজ্জ্বল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে সাময়িক দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হতে পারে। এই অবস্থাকে ক্ষণস্থায়ী স্মার্টফোন অন্ধত্ব (transient smartphone blindness) বলা হয়। এটি সাধারণত স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয় না, তবে অনেকের জন্য এটি উদ্বেগজনক হতে পারে।

গবেষণা কী ইঙ্গিত করে?
হিমালয়ান জার্নাল অফ অফথালমোলজিতে প্রকাশিত ২০২৪ সালের গবেষণা অনুসারে, সমস্যাটি ঘটে যখন আমাদের একটি চোখ উজ্জ্বল স্ক্রিনের সংস্পর্শে আসে এবং অন্য চোখটি অন্ধকারের সঙ্গে অভ্যস্ত থাকে। বিছানায় একপাশে কাত হয়ে শুয়ে থেকে এবং একটি চোখ বালিশ দিয়ে আংশিকভাবে ঢাকা রেখে ফোন ব্যবহার করলে এটি ঘটে থাকে। যে চোখটি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে সেটি আলোর সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যায়, আর অন্যটি অন্ধকারের সঙ্গে অভ্যস্ত থাকে। ফোনটি রেখে দেওয়ার পর দুটি চোখ ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া করে, যার ফলে একটি চোখে সাময়িক দৃষ্টিশক্তি হ্রাস বা ঝাপসা দৃষ্টি দেখা দেয়।

যারা এই অবস্থার সম্মুখীন হন, তারা হঠাৎ করে দেখতে পারেন যে তারা কয়েক মিনিটের জন্য একটি চোখ দিয়ে ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছেন না। যদিও এটি ভীতিকর হতে পারে, ডাক্তাররা বলেন যে দৃষ্টিশক্তি সাধারণত ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যায়। গবেষণায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে ক্ষণস্থায়ী স্মার্টফোন অন্ধত্ব চোখের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে।

তবুও চক্ষু বিশেষজ্ঞরা মানুষকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। অন্ধকারে উজ্জ্বল স্ক্রিন চোখের ওপর চাপ বাড়াতে পারে এবং চোখকে ক্লান্ত বা শুষ্ক করে তুলতে পারে। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় অনেকেই কম ঘন ঘন পলক ফেলেন, যা অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হলো ঘুমের গুণমান। স্মার্টফোন থেকে উৎপন্ন নীল আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমচক্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। গভীর রাতে এই আলোর সংস্পর্শে এলে মেলাটোনিন নামক হরমোনের উৎপাদন কমে যেতে পারে, যা ঘুম ঘুম ভাব আনতে সাহায্য করে। ফলে ঘুমিয়ে পড়া এবং আরামদায়ক ঘুম উপভোগ করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা ভালোভাবে আলোকিত ঘরে ফোন ব্যবহার করার, সন্ধ্যায় স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানোর এবং ঘুমানোর আগে ডিভাইস দূরে সরিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। এই সহজ পদক্ষেপগুলো চোখের ওপর চাপ কমাতে এবং ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারে। স্মার্টফোন আধুনিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিচক্ষণতার সঙ্গে এটি ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিশক্তি এবং সার্বিক সুস্থতা উভয়কেই রক্ষা করতে পারে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর