1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা

টিকা বা ভ্যাক্সিন কীভাবে কাজ করে? কেন এটি এত জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত

শিশুর জন্মের পর থেকেই একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে টিকা দেওয়ার কথা বলেন চিকিৎসকরা। অনেক অভিভাবক সেটি নিয়ম মেনে করেন, আবার কেউ কেউ নানা ভয় বা ভুল ধারণার কারণে দেরি করেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো – এই ছোট্ট টিকাগুলো কীভাবে একটি বড় রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়? আর সময়মতো না নিলে কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?

হাম পরিস্থিতি ও শিশুদের টিকা:
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে হাম রোগের সংক্রমণ বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত এক শিশু থেকে আরেক শিশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো টিকা না নেওয়া বা টিকাদানের কভারেজ কমে যাওয়াই এই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাই শিশুদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত সুরক্ষা নয়, বরং পুরো সমাজকে নিরাপদ রাখার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভ্যাক্সিন কীভাবে কাজ করে?
ভ্যাক্সিন মূলত আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আগে থেকেই প্রশিক্ষণ দিয়ে রাখে। সহজভাবে বললে, কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতিকর অংশকে খুব দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় করে শরীরে প্রবেশ করানো হয়। এতে শরীর সেই জীবাণুকে চিনে নেয়, কিন্তু অসুস্থ হয় না। বরং শরীর তখন প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করে রাখে।

এর ফলে ভবিষ্যতে যদি একই জীবাণু শরীরে ঢুকে পড়ে, তখন শরীর আর নতুন করে যুদ্ধ শেখা লাগে না – আগেই তৈরি থাকা প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্রুত আক্রমণ করে সেটিকে ধ্বংস করে দেয়। তাই ভ্যাক্সিন নেওয়া মানে শুধু একটি ইনজেকশন নয়, বরং আগাম সুরক্ষা।

ভ্যাক্সিন কেন জরুরি?
সবার জন্য ভ্যাক্সিন জরুরি হওয়ার পেছনে আরেকটি বড় কারণ হলো ‘হার্ড ইমিউনিটি’। যখন একটি সমাজের বেশিরভাগ মানুষ ভ্যাক্সিন নেয়, তখন রোগ ছড়ানোর সুযোগ অনেক কমে যায়। এতে যারা বয়স, অসুস্থতা বা অন্য কারণে ভ্যাক্সিন নিতে পারেন না, তারাও পরোক্ষভাবে সুরক্ষা পান।

অনেকে ভাবেন – আমি তো সুস্থ আছি, আমার ভ্যাক্সিন নেওয়ার দরকার কী? কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক সংক্রামক রোগ শুরুতে তেমন লক্ষণ দেখায় না, অথচ তা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে একজনের অবহেলা পুরো পরিবার বা সমাজকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

ভ্যাক্সিন শুধু ব্যক্তিগত সুরক্ষাই নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাম, পোলিও, ডিপথেরিয়ার মতো অনেক ভয়াবহ রোগ আজ নিয়ন্ত্রণে এসেছে মূলত ভ্যাক্সিনের কারণেই। এমনকি কিছু রোগ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

তাই ভ্যাক্সিন নিয়ে ভয় বা ভুল ধারণা না রেখে, নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী টিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও নিয়মিত টিকাদানই সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর