1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মারা গেছেন ‘মুখ ও মুখোশ’-এর কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান

বিনোদন ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৬ বার পঠিত

ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এ গায়িকা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর বয়সী। মাহবুবা রহমান বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানে কণ্ঠ দেন মাহবুবা রহমান, সংগীত পরিচালনা করেছেন সমর দাস। পরে ফতেহ লোহানীর ‘আসিয়া’ সিনেমায় ‘আমার গলার হার খুলে নে ওগো ললিতে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে খ্যাতি পান তিনি।

মাহবুবা রহমানের অন্যান্য পরিচিত গানের মধ্যে রয়েছে আমার যদি থাকত পাখির ডানা, আমার না বলা কথা, সোনালী এই ধানের ক্ষেতে, আগে জানি না রে দয়াল, তুমি দাও দেখা দরদী, আমার বন্ধু বিনোদিয়া, আজকে আমার মালঞ্চে ফুল ফোটে নাই ও আমার মন ভালো না গো প্রাণ ভালো না গো।

জাগো হুয়া সাভেরা, আসিয়া, এ দেশ তোমার আমার, যে নদী মরুপথে, কখনো আসেনি, সূর্যস্নান, সোনার কাজল, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, সাত ভাই চম্পার মতো ঢাকার প্রথম দিকের অনেক সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তিনি।

কয়েক দশক ধরেই অনেকটা নিভৃতে জীবন যাপন করছিলেন মাহবুবা রহমান। তার প্রকৃত নাম নিভা রানী রায়। ১৯৩৫ সালের ৩ মার্চ চট্টগ্রামে জন্ম। শৈশবেই ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় সুধীরলাল চক্রবর্তী, ওস্তাদ পিসি গোমেজ এবং মোমতাজ আলী খানের কাছে কিছুদিন গান শেখেন। গীত, গজল শিখেছিলেন ওস্তাদ কাদের জামেরী ও ওস্তাদ ইউসুফ কোরেশীর কাছে। মমতাজ আলীর কাছে শিখেছিলেন লোকসংগীত।

মাহবুবা রহমান ১৯৪৮ সালে ঢাকার কামরুননেসা গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এর আগের বছর অল ইন্ডিয়া রেডিও ঢাকা কেন্দ্র থেকে তার গান প্রথম প্রচার হয়।

১৯৫৮ সালে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় মাহবুবা রহমানের। এর আগে আবুল হাসনাতকে বিয়ে করেন তিনি। খান আতাউর রহমানের সঙ্গে রয়েছে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। তাদের একজন সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর