1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে আছড়ে পড়ল বিমান, ৯ জন নিহত শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানায় ছুটি ৪০ হাজার বেতনে চাকরি দেবে রকমারি.কম, থাকছে যেসব সুবিধা

বয়সের ফারাকেও হয় গভীর বন্ধুত্ব

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নাদিয়া সুলতানা মুন |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত

যখন দুজনের বয়সের ব্যবধান কমপক্ষে ১৮ বছর হয়, তখন তাদের বন্ধুত্বকে বলা হয় ‘আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব’। বর্তমান সময়ের সামাজিক ধারা অনুযায়ী, এমন বন্ধুত্ব দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সমবয়সী বন্ধুত্বের তুলনায় এই ধরনের সম্পর্কের গভীরতা এবং ভিন্ন মাত্রা অনেক বেশি। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা একে অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার কারণে এই বন্ধুত্ব অন্য সব বন্ধুত্বের থেকে আলাদা হয়ে ওঠে। প্রবীণ ও তরুণের এই সম্পর্ক আস্থা, নির্ভরশীলতা এবং আন্তরিকতার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

পারস্পরিক শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময়:
প্রবীণরা তাদের জীবনানুভব, পরামর্শ এবং মানসিক দৃঢ়তা তরুণদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। অন্যদিকে তরুণরা আধুনিক চিন্তাভাবনা, প্রযুক্তি এবং নতুন ধারণা প্রবীণদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। এর ফলে উভয় পক্ষই একে অপরের থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা লাভ করেন।

মানসিক ও সামাজিক কল্যাণ:
এ ধরনের বন্ধুত্ব বয়স্কদের একাকিত্ব এবং অবসাদ কমাতে সাহায্য করে। তরুণদের ক্ষেত্রে এটি সহানুভূতি, সামাজিক দক্ষতা এবং সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা বাড়ায়। একে অপরের মানসিক প্রয়োজন বোঝার চেষ্টার মাধ্যমে এই বন্ধুত্ব উভয়কে আত্মতৃপ্তি ও আনন্দ প্রদান করে। এটি জীবনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণাও দেয়।

যৌথ মূল্যবোধের সৃষ্টি:
বয়সের ফারাক থাকা সত্ত্বেও একে অপরের জীবনানুভব ভাগাভাগি করে নেওয়ার মাধ্যমে সম্মান, সহানুভূতি এবং নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশ পায়। ভিন্ন বয়সের মানুষের চিন্তাভাবনা ও জীবনদর্শনকে গ্রহণ করার ক্ষমতা তৈরি হয় এবং একে অপরকে বোঝা সহজ হয়।

সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধি:
এ ধরনের বন্ধুত্ব আপনাকে বয়সভিত্তিক বা সামাজিক পূর্বধারণার দখল থেকে মুক্ত রাখে। যেমন ধারণা ‘ও তো বুঝবে না’ বা ‘এ বয়সে এসবের কী প্রয়োজন’ এই ধরনের মনোভাব এড়াতে সাহায্য করে। ফলে মানুষকে বয়সের ভিত্তিতে বিচার না করে সম্পর্ক গড়া সহজ হয়ে ওঠে।

আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কমিয়ে, সহানুভূতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর