1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ভূমধ্যসাগরে রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রাণহানি

প্রবাস ডেস্ক |
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

২০২৬ সালের শুরুতেই ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা চরম ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। বছরের প্রথম দুই মাসেই এই রুটে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যুর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।

আইওএম-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভূমধ্যসাগরে অন্তত ৬৫৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। যা গত বছরের একই সময়ের (২৮৭ জন) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বিস্ময়কর বিষয় হলো, ইউরোপে অনিয়মিত প্রবেশের সংখ্যা কমলেও মৃত্যুর হার উল্টো বেড়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স এবং গবেষকরা এই প্রাণহানির জন্য কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন:

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‌‘হ্যারি’ অসংখ্য নৌকাডুবির কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

পাচারকারীদের নিষ্ঠুরতা: ফ্রন্টেক্সের মতে, পাচারকারীরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় সমুদ্রযাত্রার অনুপযুক্ত ও জরাজীর্ণ নৌকায় অভিবাসীদের তুলে দিচ্ছে।

রুট পরিবর্তন: ফ্রান্সের সিএনআরএস-এর গবেষক আর্নো বানো জানান, বলকান বা স্থলপথগুলো প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানুষ দীর্ঘ ও বিপজ্জনক সমুদ্রপথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে, যেখানে নজরদারি ও উদ্ধার তৎপরতা কম।

বেসরকারি উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোর নতুন নীতিমালা তাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

অভিবাসী বিশেষজ্ঞ ফিলিপো ফুরির মতে, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো পারিবারিক পুনর্মিলন এবং স্টাডি ভিসার নিয়ম কঠোর করায় মানুষ অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিতে মরিয়া হয়ে উঠছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তিউনিসিয়া ও লিবিয়ার সাথে যে চুক্তি করেছে, তা আদতে পাচারকারীদের নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করেছে বলে দাবি করছেন বিশ্লেষকরা।

সবশেষে, গবেষকদের আশঙ্কা-উদ্ধারকারী ও সীমান্ত সংস্থাগুলো কেবল যারা ইউরোপের উপকূলে পৌঁছায় তাদেরই গণনা করে। ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর