1. admin@businessdigestbd.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল, ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার পদ স্থগিত মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়ার পর টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে দীপ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন : অর্থায়নে ইলিয়াস-কচি-জাহাঙ্গীর,সমন্বয়ে আলিফ-জুয়েল পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ : মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে বন্ধ ছয় শতাধিক কারখানার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বড় সংঘাতের আশঙ্কা : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম উচ্চ মাধ্যমিকে ফল বিপর্যয় : ৪ বিষয়ে শিক্ষক সংকট বেশি, শিখনে ঘাটতি পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পে দুর্নীতি : ঢাকা ওয়াসার গচ্চা ১৫৬২ কোটি টাকা যশোরে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সুতা আমদানিতে অসম সুবিধা বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় বিটিএমএ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক |
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত

প্রতিবেশী দেশ থেকে ভর্তুকিযুক্ত সুতা আমদানির ফলে দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এই অসম প্রতিযোগিতা বন্ধে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। দাবি আদায় না হলে পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের সব টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা পুনরুল্লেখ করেছেন সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিটিএমএ কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে দেশীয় মিল মালিকরা এসব কথা জানান।

সভায় জানানো হয়, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো সরকারের প্রণোদনা পাওয়ায় প্রতি কেজি সুতা বাংলাদেশের চেয়ে ৩০-৩৫ সেন্ট কম দামে রপ্তানি করতে পারছে। এর ফলে গত এক বছরে ভারত থেকে সুতা আমদানি ১৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সভায় বিটিএমএ’র সভাপতি জনাব শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় দেশীয় শিল্প রক্ষায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সব টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সুতা আমদানিতে বিদ্যমান অসম সুবিধা অবিলম্বে বন্ধ করে কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে দেশের টেক্সটাইল সেক্টর চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

সভায় তিনি রপ্তানি বাণিজ্য ও সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিতে দেশীয় টেক্সটাইল মিলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরেন। তিনি জানান, পার্শ্ববর্তী দেশের স্পিনিং মিলগুলো তাদের সরকারের নানাবিধ প্রণোদনার কারণে প্রতি কেজি সুতা প্রায় ৩০-৩৫ সেন্ট কম দামে বাংলাদেশে রপ্তানি করতে পারছে, যার ফলে দেশের স্পিনিং মিলগুলো ধীরে ধীরে রুগ্ন শিল্পে পরিণত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত এক বছরে ভারত থেকে সুতা আমদানি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ১৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও অন্তত ৫০টি মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর ফলে প্রায় ২ লক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছে, যা একটি গুরুতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের ইঙ্গিত বহন করে।

সভায় মিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী, ১০-৩০ কাউন্টের সুতা বন্ড সুবিধার বাইরে নেওয়ার কার্যকর এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান। বিটিএমএ সভাপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দেশীয় শিল্প, বিনিয়োগ এবং বিপুল কর্মসংস্থান রক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সভায় বিটিএমএ’র পরিচালক মো. বাদশা মিয়া, যমুনা গ্রুপ, আকিজ টেক্সটাইলসহ শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল মিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরও খবর